তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->চীনের তিব্বত অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
তবে এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা জানতে বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার এ ভূমিকম্প হয় বলে জানিয়েছে চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (সিইএনসি)।
সিইএনসির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নাগচু অঞ্চলের একটি উচ্চভূমির কাউন্টিতে।
এটি তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর উৎপত্তিস্থল।
রয়টার্স।/এসএন/
আরও পড়ুন
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি হুতিদের
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভবন এবং ইয়ানবুতে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে। তবে এসব হামলার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) হুতির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক টেলিভিশন বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, রিয়াদ এবং ইয়ানবু সংলগ্ন ইসলামের পবিত্র নগরী মদিনার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া বেশ কিছু ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
এদিকে হুতি গোষ্ঠীর লাগাতার হামলার মধ্যে ধাহরানে অবস্থিত নিজেদের প্রধান কার্যালয় ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধান তেল কোম্পানি আরামকো। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছয়টি সূত্র রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে ক্ষমতায় পুনর্বহাল করতে তৎপর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। হুতিরা বাব আল-মান্দেব প্রণালি দখলে নেয়ার পর থেকেই নতুন করে গোষ্ঠীটির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে তারা।
ইয়াহিয়া সারি জানান, গত জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে থেকে শুরু হওয়া সৌদি হামলায় ইয়েমেনে ৫৬২ জন নিহত ও আহত হয়েছেন। সে সময় বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি আরবের ওপর নৌ-অবরোধ জারি করেছিল হুতিরা।
এসএন/
আরও পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের জের, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১১২ ডলার
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংকটের প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১২ ডলার ছাড়িয়েছে। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও বেড়ে প্রায় ১০০ ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
পিভিএম অয়েলের বিশ্লেষক তামাস ভার্গা বলেন, ‘ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টাগুলো বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে... হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা এবং সৌদি আরব ও তার তেল অবকাঠামোতে হুতিদের হামলা নতুন করে চিন্তার কারণ হয়েছে। এসবের ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সংঘাতের পূর্ববর্তী মাত্রার চেয়েও বেশি তেল রপ্তানির খবর পুরোপুরি ম্লান হয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত এসব সংঘাত হ্রাসের কোনও সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এর ফলে নিকট ভবিষ্যতে তেলের দাম চড়া থাকবে।’
মরগান স্ট্যানলির বিশ্লেষকরা এক নোটে অনুমান করেছেন, গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়েছে।
এসএন/
আরও পড়ুন
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুকে হটাতে নীরব প্রচারে আইজেনকট
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও আইজেনকট (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত
-->ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারেন গাদি আইজেনকট। ৬৬ বছর বয়সি এই রাজনীতিকের পোশাক প্রায় সব সময়ই সাদামাটা কালো। ইংরেজিতে কথা বলেন ধীরগতিতে। সামরিক বাহিনীর সংস্কৃতিতে গড়ে ওঠা আইজেনকট সাক্ষাৎকারেও নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন বুলেট পয়েন্টের তালিকার মতো করে।
কিছু ভোটারের কাছে তার ব্যক্তিত্বে আকর্ষণের ঘাটতিই হতে পারে সবচেয়ে বড় শক্তি।
গম্ভীর ও প্রচারবিমুখ আইজেনকট অনেক দিক থেকেই নেতানিয়াহুর বিপরীত। ইসরাইলে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিখুঁত মার্কিন উচ্চারণে ইংরেজি বলেন। মার্কিন টেলিভিশন কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিরোনাম হওয়ার মতো বক্তব্য দিতেও তিনি সব সময় প্রস্তুত।
২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর প্রধান ছিলেন আইজেনকট। নেতানিয়াহুর বিভাজনমূলক শাসনের পর ইসরাইলিদের ঐক্যবদ্ধ করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি। নেতানিয়াহুর শাসনামলে দেশটি অনেক বেশি ডানপন্থার দিকে ঝুঁকেছে।
মোলাদ থিংক ট্যাংকের গবেষক তাল এলোভিটস বলেন, ‘ইসরাইলে এমন একটি বড় ভোটারগোষ্ঠী রয়েছে, যাদের আসন্ন নির্বাচনে প্রধান লক্ষ্য শুধু পরিস্থিতি শান্ত করা।’
তিনি বলেন, ‘মধ্যবিত্ত শ্রেণি এমন কাউকে খুঁজছে, যাকে দায়িত্বশীল ও নিরস মনে হবে। আমার মনে হয়, আইজেনকটের মধ্যে তারা সেই গুণ দেখতে পান।’
জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে রয়েছেন আইজেনকট। গাজায় তিন বছরের যুদ্ধ এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতার কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের ভাবমর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই ভাবমর্যাদা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালিয়েও দায়মুক্তি পেয়ে আসা ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আইজেনকট। সম্প্রতি এসব বসতি স্থাপনকারী এক মার্কিন সাংবাদিক ও ফ্রান্সের এক মেয়রকে মারধর করে। নেতানিয়াহু সরকারের মদদে সংঘটিত এসব ঘটনাকে তিনি ‘ইহুদি সন্ত্রাস’ বলে নিন্দা জানান।
তবে সামরিক বাহিনীর সাবেক এই প্রধান শান্তিবাদী নন। ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে তিনি নেতানিয়াহুর চেয়েও ডানপন্থী অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক জীবনের আগের একটি সময়ের বক্তব্যও সামনে এনেছেন।
সে সময় মার্কিন চাপের মুখে নেতানিয়াহু অনিচ্ছাসত্ত্বেও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণার প্রতি কিছুটা সমর্থন জানিয়েছিলেন।
২০০৬ সালে হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দেন আইজেনকট।
সে সময় তিনি ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ নামে পরিচিত একটি সামরিক কৌশল প্রণয়ন করেন। বৈরুতের একটি শহরতলির নামে নামকরণ করা এই কৌশলে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীটির সদস্যরা বসবাস করেন—এমন এলাকায় বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক শক্তি প্রয়োগের অঙ্গীকার করা হয়।
গাজায়ও ইসরাইল এই কৌশল প্রয়োগ করেছে। এতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে, যা যুদ্ধাপরাধের শামিল বলে সমালোচকেরা মনে করেন। তবে ইসরাইল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
শ্রমজীবী পরিবার থেকে উঠে আসা-
গাজায় যুদ্ধ করতে গিয়ে ছেলে গাল ও দুই ভাতিজা নিহত হওয়ার পর আইজেনকট ব্যাপক জনসমর্থন ও সহানুভূতি পেয়েছেন।
শ্রমজীবী পরিবারে বেড়ে ওঠাও তার জনপ্রিয়তার আরেকটি কারণ। তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে হবেন ইসরাইলের প্রথম সেফার্দি ইহুদি প্রধানমন্ত্রী। সেফার্দি ইহুদিদের সাম্প্রতিক পূর্বপুরুষদের শিকড় মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায়।
নেতানিয়াহু অভিজাত পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তার বাবা যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিশিষ্ট অধ্যাপক ছিলেন। অন্যদিকে, আইজেনকট মরক্কোর ইহুদি পরিবারের সন্তান। ইসরাইলের ভৌগোলিক প্রান্তিক অঞ্চলে তার বেড়ে ওঠা। সূত্র: এএফপি
নাঈম/
আরও পড়ুন
ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে না, শিগগিরই কিছু একটা ঘটবে: ট্রাম্প
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
-->ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা চলছে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে শিগগিরই কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সাউথ ক্যারোলাইনায় এক নির্বাচনি র্যালি শেষে ফেরার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ‘না, আমি মনে করি আমরা কোনো আলোচনা করছি না। কোনো না কোনো উপায়ে খুব শিগগিরই কিছু একটা হতে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বেশিরভাগ মানুষ মনে করছেন বিষয়টি নির্বাচনের পরই ঘটবে, দেখা যাক পরবর্তী সময়ে কী হয়।’
এর আগে, র্যালিতে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে পারে, তবে তারা নিশ্চিত হতে চায় যেন এর ফলাফল দীর্ঘস্থায়ী হয়।
তিনি বলেন, ‘এটি খুব শিগগিরই শেষ হবে। আমরা এখনই সরে আসতে পারি, তবে আমরা নিশ্চিত করতে চাই যেন এটি দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী হয়।’
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ও আর্থিকভাবে ইরানকে পরাজিত করেছে এবং তেহরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে- মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে বিমান হামলার পরিকল্পনা প্রস্তুত করে রেখেছে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা ও এ বিষয়ে অবহিত ব্যক্তিদের সূত্রের বরাতে খবরটি প্রকাশ করা হয়।
তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ট্রাম্প এই হামলায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কি-না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। কারণ চলতি বছর পুনরায় বড় ধরনের যুদ্ধে জড়ানোর বেশ কিছু পরিকল্পনা তিনি বারবার ভেটো দিয়ে বাতিল করেছেন।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানান, প্রশাসন এমন কোনো সামরিক পরিকল্পনা নিয়ে মন্তব্য করে না যার অস্তিত্ব থাকতেও পারে, আবার নাও থাকতে পারে। সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি
আজহার/
