নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় স্কুলের দপ্তরির বিরুদ্ধে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।
অভিযুক্ত দপ্তরির নাম দিদারুল আলম বিদ্যুৎ। তিনি উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের রেজাউল আলম ঢালুর ছেলে এবং স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে দপ্তরি হিসেবে কর্মরত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর ওই ছাত্রী কান্না করতে করতে বিদ্যালয় থেকে দৌড়ে বেরিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন কান্নার কারণ জানতে চাইলে সে জানায়, বিদ্যালয়ের দপ্তরি বই দেওয়ার কথা বলে ওই ছাত্রীকে ক্লাসরুমে নিয়ে যায়, তারপর তাকে ঝাপটে ধরে টানাহেঁচড়া করেন। একপর্যায়ে সে কোনোমতে তার কাছ থেকে ছুটে বেরিয়ে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ে জড়ো হন। এ সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত দপ্তরিকে নিজের হেফাজতে নিয়ে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে দেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে শুক্রবার সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার জন্য ধার্য করা হয়েছে।
তবে অভিযুক্তকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কেন্দুয়া থানার ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি জানার পর পেমই তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।