রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় দুই দিনে ভেজাল গুড় তৈরির তিন কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে ৪৫ মণ গুড় ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা ২৭ বস্তা চিনি স্থানীয় এতিমখানায় দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান অনন্যা পুলিশের সহযোগিতায় পৃথকভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করেন।
জানা গেছে, আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে আড়ানী পৌরসভার চকসিংগা দাঁড়পাড়া গ্রামের সবুজ হোসেন ও রকি হোসেনের ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁরা চুলার ওপর গুড় রেখে পালিয়ে যান। পরে ১৫ মণ গুড় ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া ১২ বস্তা চিনি জব্দ করে স্থানীয় এতিমখানায় দেওয়া হয়।
এর আগে গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে একই গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে কাজিম উদ্দিনের গুড় তৈরির কারখানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই কারখানায় চিনি, মোনালিসা, বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক, চুন, রং, হাইড্রোজ, ফিটকিরি, ডালডা ও আটা ব্যবহার করে গুড় তৈরি করা হচ্ছিল। অভিযানে ৩০ মণ গুড় ধ্বংস করা হয়। এ সময় ১৫ বস্তা চিনি জব্দ করে স্থানীয় এতিমখানায় দেওয়া হয়। পাশাপাশি কাজিম উদ্দিনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান অনন্যা বলেন, ‘কারখানাগুলোতে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে গুড় তৈরির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে জব্দ করা ভেজাল গুড় ও গুড় তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে। এ ছাড়া জব্দ করা ২৭ বস্তা চিনি স্থানীয় এতিমখানায় দেওয়া হয়েছে।’
