জগতের রঙ চেনা হয়ে যায়, চেনা রূপসী ভোরের আলো,
চেনা হয়ে যায় অমাবস্যার আঁধার কত না কালো।
মহাকাশের ওই দূর তারাটিকেও মানুষ আনতে পারে কাছে,
ঝড়-ঝঞ্ঝার গতি চেনা যায়, নদী কীভাবে বাঁচে।
অথচ—
পাশেই দাঁড়িয়ে থাকে যে মানুষ, বিচিত্র তার সাজ,
হাজার মুখোশে নিজেকে ঢেকে সে অভিনয়ে ব্যস্ত আজ!
মিষ্টি হাসির আড়ালে লুকিয়ে রাখে বিষাক্ত কত ক্ষোভ,
বিশ্বস্ততার বচনে জাগে চতুর গোপন লোভ।
মেঘের খেলা চেনা অনায়াসে, চেনা সাগরের ঢেউ,
বুকের গভীর খাঁচায় কী আছে—তা কি জানে আজ কেউ?
একই দেহে আহা, কত রূপ তার, ছদ্মবেশের মেলা,
কখনো সে দেয় স্নেহের আশ্রয়, কখনো ভাঙার খেলা।
জগতের কত রহস্য জানা হলো, ভাঙল কত না ভুল,
অচিন মানুষ চিনতে গিয়েই মানুষ হারায় কূল!
জ্ঞানের আলোয় চেনা হলো সব পৃথিবীর ছাতে—
সব চেনা গেলেও মানুষ চেনা যায় না দিন-রাতে!
The post বহুরূপী মানুষ appeared first on ভোরের চেতনা.
