সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দ্বিতীয় দফায় হামলা হয়েছে। এতে একজন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াদের বিমানবন্দরে দ্বিতীয় হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি বিমানবন্দরে বিমান হামলার খবর প্রকাশ করে হুতিপন্থি গণমাধ্যম। তবে ওই হামলার সঙ্গে রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার সরাসরি কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
পরিস্থিতির মধ্যে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতিদের মধ্যে সংলাপের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার পথ তৈরি করতে সহায়তার প্রস্তাব দেন।
এর আগে শনিবার কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক, দুজন বাংলাদেশি এবং যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিসরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
রোববার হুতিদের বিবৃতিতে শনিবারের হামলার কথা সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। তবে এর আগে বৃহস্পতিবার একই বিমানবন্দরে পৃথক হামলার দায় স্বীকার করেছিল গোষ্ঠীটি।
এদিকে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের দেওয়া সাতটি শর্তের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জবাবকে ‘যথেষ্ট নয়’ বলে মন্তব্য করেছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, যুদ্ধের অবসানে তেহরানের দেওয়া সাতটি শর্তের কয়েকটি যুক্তরাষ্ট্র মেনে নিয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের জবাব এখনো ইরানের প্রত্যাশা পূরণ করেনি।
অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় তৃতীয় একটি বিশাল তেলবাহী ট্যাংকার নৌমাইনে আঘাত পেয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
