মঙ্গলের মাথার দাম ছিল ৫ লক্ষ। মালতির মাথার দাম ছিল ২ লক্ষ। শুক্রবার লালবাজারে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দার কাছে আত্মসমর্পণ করলেন মাওবাদী দম্পতি। রাজ্য সরকারের উপর আস্থা থাকায় সমাজের মূলস্রোতে ফেরার সিদ্ধান্ত বলেই জানান তাঁরা।
আত্মসমর্পণ করার পর মাওবাদী দম্পতি বলেন, “বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রতি ভরসা রেখেই মূলস্রোতে ফেরা। সে কারণেই আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত।”
পুলিশ কমিশনার জানান, মাওবাদী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য মঙ্গল ও মালতির। ঝাড়খণ্ড থেকে এসে ঝাড়গ্রাম এলাকায় কাজ করত দু’জনে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের পর থেকেই তারা ওই এলাকায় গা ঢাকা দেয়। অবশেষে লালবাজারে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দার কাছে আত্মসমর্পণ করেন দু’জনে। মঙ্গলের কাছ থেকে একটি একে ৪৭ রাইফেল এবং কার্তুজ, মালতির কাছ থেকে একটি অ্যাসল্ট রাইফেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মাওবাদী দমনে রাজ্য পুলিশের বড় সাফল্য সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। বাংলা সম্পূর্ণ মাওবাদ মুক্ত হবে বলেই দাবি কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দার। আত্মসমর্পণ করার পর মাওবাদী দম্পতি বলেন, “বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রতি ভরসা রেখেই মূলস্রোতে ফেরা। সে কারণেই আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত।”
