Published on
:
2 min read
শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে বিপুল সম্পদ গড়েছেন ওয়ারেন বাফেট। মাত্র ৩২ বছর বয়সে প্রথম মিলিওনেয়ার হন তিনি। তাঁর সাফল্যের পিছনে ছিল অল্প বয়স থেকে বিনিয়োগ শুরু করা এবং দীর্ঘ সময় ধরে সম্পদ বাড়তে দেওয়ার কৌশল। কম বয়সে তাঁর মতো সাফল্য পেতে চান যাঁরা, তাঁদের জন্যও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
অল্প বয়সে শুরু করাই বড় সুবিধা
১৯৯৯ সালে এক বিনিয়োগকারী বাফেটকে প্রশ্ন করেছিলেন, ৩০-এর কোঠায় নতুন করে শুরু করলে কী ভাবে ৩০০০ কোটি ডলারের সম্পদ গড়তেন তিনি? বাফেটের সংক্ষিপ্ত উত্তর ছিল, ‘অল্প বয়সে শুরু করুন।’
বাফেট নিজেও খুব ছোট বয়স থেকে বিনিয়োগ শুরু করেছিলেন। মাত্র ১১ বছর বয়সে প্রথম শেয়ার কেনেন তিনি। তাঁর মতে, যত আগে বিনিয়োগ শুরু করা যায়, টাকা বাড়ার জন্য তত বেশি সময় পাওয়া যায়।
কী এই ‘স্নোবল’ কৌশল?
বাফেট সম্পদ তৈরির প্রক্রিয়াকে বরফের গোলার সঙ্গে তুলনা করেছেন। পাহাড়ের উপর দিয়ে গড়াতে থাকা তুষারের গোলা যেমন ক্রমশ বড় হয়, তেমনই বিনিয়োগের উপর আয় আবার বিনিয়োগ করলে সম্পদও সময়ের সঙ্গে বাড়তে পারে। একে বলা হয় কম্পাউন্ডিং বা চক্রবৃদ্ধি হারে বৃদ্ধি।
এই কৌশলে সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্রুত বিপুল টাকা আয়ের চেষ্টা না করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় জোর দেওয়ার পরামর্শ দেন বাফেট।
নিজের শক্তি বুঝুন, সঠিক মানুষের সঙ্গে থাকুন
বাফেটের মতে, শুধু টাকা বিনিয়োগ করলেই সাফল্য আসে না। নিজের দক্ষতা ও শক্তির জায়গাগুলি চিনতে হবে। পাশাপাশি সঠিক মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেছেন, ‘নিজের শক্তির জায়গাগুলি বুঝুন, তার পরে সঠিক মানুষ বেছে নিন এবং ভুল করতে ভয় পাবেন না।’ অর্থাৎ ভুল থেকে শেখা এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোও দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের অংশ।
বাফেটের শিক্ষা হলো, সম্পদ তৈরিতে সময়, ধৈর্য এবং ধারাবাহিকতার বড় ভূমিকা রয়েছে। তবে তাঁর সাফল্য নিশ্চিত ভাবে অনুসরণ করা সম্ভব নয়। শেয়ার বাজারে ঝুঁকি থাকে। তাই নিজের আর্থিক পরিস্থিতি বুঝে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
