Published on
:
1 min read
একসময় গোয়েন্দা দুনিয়ার সবচেয়ে দামি সম্পদ ছিল মানুষ— গোপন এজেন্ট, informant, দীর্ঘদিনের surveillance এবং একজন দক্ষ অ্যানালিস্টের অভিজ্ঞতা। আজ সেই ছবিতে ঢুকে পড়েছে আর এক শক্তিশালী চরিত্র— আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (AI)। কোটি কোটি ফোনকল, মেসেজ, ছবি, ভিডিয়ো, স্যাটেলাইট-চিত্র, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ও আর্থিক লেনদেনের মধ্যে থেকে মানুষ যে সম্পর্ক খুঁজে পেতে সপ্তাহ বা মাস নিত, AI তা কয়েক মিনিটে চিহ্নিত করতে পারে।
ফলে CIA, GCHQ, NSA বা ইজরায়েলের Unit 8200-এর মতো সংস্থাগুলির কাজের ধরন ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে— ‘collect first, analyse later’ থেকে ‘collect, connect and predict’-এর দিকে।
CIA: তথ্যের পাহাড় থেকে সূত্র খোঁজা
আমেরিকার সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স এজেন্সি-র প্রকাশিত তথ্যেই বলা হয়েছে, বিপুল unclassified এবং intelligence data এখন data science ও AI দিয়ে দ্রুত triage করা হচ্ছে। আগে যে কাজ করতে সপ্তাহ বা মাস লাগত, তার একটি অংশ এখন অনেক কম সময়ে করা সম্ভব।
এর সঙ্গে জড়িত বহুল আলোচিত উদাহরণ Palantir। গবেষণামূলক সূত্রে দাবি করা হয়েছে, বিশাল ও বিচ্ছিন্ন ডেটাসেট— যোগাযোগের তথ্য, নেটওয়ার্ক, নথি ইত্যাদি— একত্র করে pattern, connection ও anomaly খুঁজে বের করার কাজে এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
অর্থাৎ গোয়েন্দার কাজ শুধু ‘কে কী বলল’ শোনা নয়। এখন প্রশ্ন— কার সঙ্গে কার যোগাযোগ, কোন ঘটনার আগে কোন digital footprint তৈরি হয়েছিল, এবং কোন ঘটনাগুলির মধ্যে অদৃশ্য যোগসূত্র রয়েছে?
GCHQ: Analyst-এর জায়গা নয়, Analyst-এর পাশে AI
ব্রিটেনের Government Communications Headquarters আরও স্পষ্টভাবে বলেছে— AI-কে মানুষের বিকল্প নয়, ‘augmented intelligence’ হিসেবে ব্যবহার করার লক্ষ্য তাদের। অর্থাৎ AI বিপুল তথ্য ছেঁকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সামনে আনবে, চূড়ান্ত বিচার করবেন মানব analyst।
