পাকিস্তানে বেড়াতে এসে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হল মালয়েশিয়ার দম্পতির। পাকিস্তানে বেড়াতে আসা ওই বিদেশি দম্পতি ট্রেনে এমন আচরণের শিকার হন যা তাঁরা দুঃস্বপ্নেও আশঙ্কা করেননি। দম্পতির ব্যাগপত্র পরীক্ষা করতে আসা এক পুলিশকর্মী ব্যক্তিস্বাধীনতার সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেন বলে অভিযোগ। সেই ঘটনারই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়ার এক দম্পতি লাহৌর থেকে করাচি যাওয়ার জন্য গ্রিন লাইনের ট্রেনে ভ্রমণ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সফরের মাঝে এক পুলিশকর্মী তাঁদের প্রথম শ্রেণির কেবিনে প্রবেশ করেন। জোর করে তাঁদের তল্লাশি করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় দম্পতি বিচলিত হয়ে পড়েন। ভিডিয়োটি পোস্ট করে তাঁরা সামাজিক মাধ্যমে এও প্রশ্ন তোলেন যে পাকিস্তানে এটা স্বাভাবিক ঘটনা কি না।
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, পুলিশকর্মী প্রথমে তরুণকে পরীক্ষা করেন। এর পর, তিনি তাঁদের ব্যাগ থেকে জিনিসপত্র বার করে সেগুলি শুঁকতে শুরু করেন। সেই আচরণ দেখে তাজ্জব হয়ে যান বিদেশি দম্পতি। প্রথম শ্রেণির কামরায় ভ্রমণ করা সত্ত্বেও এই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেননি তাঁরা। এই ঘটনা থেকে দম্পতির উপলব্ধি, পাকিস্তানে প্রথম শ্রেণির কামরায় ভ্রমণও নিরাপদ নয়। ভিডিয়োটি ‘আরএস.এমন’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করে তাঁরা লিখেছেন, ‘‘রেলযাত্রায় এমন কিছু ঘটবে তা কখনও আশা করিনি! আমরা লাহৌর থেকে করাচি যাওয়ার জন্য গ্রিন লাইনে ভ্রমণ করছিলাম। প্রথমে, এক জন এসে আমাদের পাসপোর্টের ছবি তুলে নেন। ট্রেন ছাড়ার মাত্র ১০ মিনিট পরেই এই ঘটনা ঘটে।’’
ভিডিয়োটি ভাইরাল হতেই প্রতিক্রিয়ার বন্যা বয়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে। ১৩ হাজারের বেশি লাইক জমা পড়েছে তাতে। এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, কুকুরের মতো শুঁকছে স্বয়ং পুলিশই! বেশ কয়েক জন নেটাগরিক এটিকে হয়রানির নামান্তর বলে উল্লেখ করেছেন। এক নেটাগরিক অবিলম্বে অভিযুক্তকে বরখাস্তের দাবি জানিয়েছেন।
