রজনীকান্ত অভিনীত ‘জেলার ২’ বক্স অফিসে দাপট দেখিয়ে বিশ্বজুড়ে ৬০০ কোটি রুপি আয়ের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই এ সাফল্য অর্জন করেছে সিনেমাটি। এর মধ্য দিয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা তামিল সিনেমার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে এটি।
আয়ের দৌড়ে সিনেমাটি পেছনে ফেলেছে নিজের প্রথম পর্ব ‘জেলার’, বিজয় অভিনীত ‘লিও’ এবং রজনীকান্তের আরেক সিনেমা ‘কুলি’কে। এবার ছবিটির লক্ষ্য তালিকার শীর্ষে থাকা ‘২.০’-এর রেকর্ড ভাঙা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রি থেকে সিনেমাটি উদ্বোধনী সপ্তাহান্তের জন্য ৮০ কোটি রুপি আয় করে। মুক্তির প্রথম চার দিনেই বিশ্বব্যাপী আয় ৪০০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। এরপর দশেরার ছুটিতেও ভালো ব্যবসা করে সিনেমাটি। তবে মুক্তির সপ্তম ও অষ্টম দিনে আয়ের গতি কিছুটা কমে আসে।
মুক্তির অষ্টম দিনে ভারতে সিনেমাটির নিট আয় হয়েছে ১৭ কোটি রুপি। এতে বর্ধিত উদ্বোধনী সপ্তাহ শেষে দেশটিতে এর মোট নিট আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৪ কোটি রুপি। আর গ্রস আয় হয়েছে ৩৯১ কোটি ৫৫ লাখ রুপি।
আন্তর্জাতিক বাজারেও ভালো ব্যবসা করছে ‘জেলার ২’। মুক্তির আট দিনে বিদেশের বাজার থেকে সিনেমাটির আয় হয়েছে ২ কোটি ২৬ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী এর মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৬০৬ কোটি রুপি।
এর মধ্য দিয়ে তামিল সিনেমার ইতিহাসে ৬০০ কোটি রুপি আয়ের মাইলফলক অতিক্রম করা চতুর্থ সিনেমা হয়েছে ‘জেলার ২’। একই সঙ্গে ৬০৪ কোটি রুপি আয় করা ‘জেলার’ এবং ৬০৫ কোটি রুপি আয় করা ‘লিও’কে পেছনে ফেলেছে এটি। এর আগে ৫১৮ কোটি রুপি আয় করা ‘কুলি’কেও ছাড়িয়ে যায় সিনেমাটি।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে রজনীকান্ত ও অক্ষয় কুমার অভিনীত শঙ্কর পরিচালিত ‘২.০’। সিনেমাটির বিশ্বব্যাপী আয় ৬৯১ কোটি রুপি। বর্তমান আয়ের ধারা অব্যাহত থাকলে দ্বিতীয় সপ্তাহান্তেই ‘জেলার ২’ এই রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে বলে ধারণা করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকেরা। এমনকি সিনেমাটির ৭০০ কোটি রুপি আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করার সম্ভাবনাও রয়েছে।
নেলসন দিলীপকুমার পরিচালিত ‘জেলার ২’ প্রযোজনা করেছে সান পিকচার্স। সিনেমাটিতে ‘টাইগার’ মুথুভেল পান্ডিয়ান চরিত্রে ফিরেছেন রজনীকান্ত। এতে রম্যা কৃষ্ণন ও যোগী বাবুসহ প্রথম পর্বের কয়েকজন অভিনয়শিল্পীও রয়েছেন।
নতুনদের মধ্যে অভিনয় করেছেন এস জে সূর্য, মিঠুন চক্রবর্তী, বিদ্যা বালান ও সূরজ ভেঞ্জারামুডু। এ ছাড়া সিনেমাটিতে হৃতিক রোশন, মোহনলাল, শিবা রাজকুমার ও জ্যাকি শ্রফের বিশেষ উপস্থিতি রয়েছে। সংগীত পরিচালনা করেছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দর।
যে আই
