বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় সংবিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় এ বিষয়ে সংবিধান সংশোধনবিষয়ক কমিটিতে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে অ্যাটর্নি কার্যালয়ের দ্বিতীয় ব্যাচের ইন্টার্নদের সমাপনী এবং তৃতীয় ব্যাচের বরণ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেষে কথা বলেন তিনি।
সাইবার নিরাপত্তা আইন নিয়ে মানুষের মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা আছে সরকারের। একই সঙ্গে আগামীতে ৩৫ বছর বয়সের পর আর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না বলেও জানান তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্বেগের বিষয়ে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের যে কনসার্ন রয়েছে, তা বিবেচনায় রাখা হবে এবং তাদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রচলিত কোনো আইন বা অতীতে যেসব নিবর্তনমূলক (ড্রাকোনিয়ান) আইন ছিল, সেগুলোর অপব্যবহারের বিষয়টি মাথায় রেখে সেটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কিংবা ৫৭ ধারার অতীতে যে অপব্যবহার হয়েছিল, তা সরকার বিবেচনায় রাখছে এবং সবার মতামত নিয়েই আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে।
রেমিট্যান্স যোদ্ধা ও প্রবাসী শ্রমিকদের সহায়তায় একটি বিশেষ (এক্সক্লুসিভ) আদালত গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশে এসে যাতে আইনি সহায়তার জন্য কোনো ভোগান্তিতে না পড়েন এবং এক জায়গা থেকেই ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’-এর মাধ্যমে সব ধরনের আইনি প্রতিকার পেতে পারেন, সেই লক্ষ্যে সরকার ভাবছে।