পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রাস্তায় নেমে কাজ করে চলেছেন অগ্নিমিত্রা পাল। আবার বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়কে দেখা গিয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালের অশান্তি সামাল দিতে। তা সত্ত্বেও প্রায়শয়ই সমালোচনার শিকার হন দু’জনেই। কটাক্ষের মাঝে দু’জনের পাশে ‘ঢাল’ হয়ে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
অগ্নিমিত্রার উদ্দেশে তিনি বলেন, “কিছু লোক আছে, যারা কিছু করেনি। অথচ অগ্নিমিত্রা পাল প্রো অ্যাক্টিভ কাজ করেন। উনি অফিসেও থাকেন। রাস্তাতেও থাকেন। তা দেখে ওদের খুব জ্বালা যন্ত্রণা। হাতে মোবাইল। সঙ্গে ফেসবুক।” তাঁর পরামর্শ, “ইগনোর দেম। পাবলিকের কাছে ওরা রিজেকটেড। ভবিষ্যতে পুরভোটেও রিজেক্টেড হবে। আপনি চরৈবতি মন্ত্রে এগিয়ে যান।”
সোমবার কুঁদঘাটে জলাশয় পুনরুদ্ধার অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানেই পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং বিধায়ক শর্বরীকে বাহবা দেন তিনি। অগ্নিমিত্রার উদ্দেশে তিনি বলেন, “কিছু লোক আছে, যারা কিছু করেনি। অথচ অগ্নিমিত্রা পাল প্রো অ্যাক্টিভ কাজ করেন। উনি অফিসেও থাকেন। রাস্তাতেও থাকেন। তা দেখে ওদের খুব জ্বালা যন্ত্রণা। হাতে মোবাইল। সঙ্গে ফেসবুক।” তাঁর পরামর্শ, “ইগনোর দেম। পাবলিকের কাছে ওরা রিজেকটেড। ভবিষ্যতে পুরভোটেও রিজেক্টেড হবে। আপনি চরৈবতি মন্ত্রে এগিয়ে যান।”
যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়েরও প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “যাদবপুরটাকে ধীরে ধীরে রাষ্ট্রবাদের লাইনে নিয়ে আসছেন শর্বরী বোন। টুকরে টুকরে গ্যাং খুব ভয় পাচ্ছে শর্বরীদিকে দেখে।” ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টালিগঞ্জের বিধায়ক পাপিয়া চক্রবর্তীও। একসময় তৃণমূলের দুঁদে নেতা অরূপ বিশ্বাসকে হারিয়ে ভোটে লড়েন তিনি। পাপিয়াকে বিধায়ক হিসাবে বেছে নেওয়ায় সাধারণ মানুষকে ধন্য়বাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী।
