প্রকাশিত: ২৩:৩৮, ২১ অক্টোবর ২০২৬ আপডেট: ২৩:৩৮, ২১ অক্টোবর ২০২৬
ফাইনালে উঠার হিসাব মেলাতে পারেনি বাংলাদেশ।
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার শেষ সুযোগটিও হাতছাড়া হলো বাংলাদেশের। আফগানিস্তানকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখতে না পারায় ফাইনালে ওঠার সমীকরণ থেকে ছিটকে গেল টাইগাররা। শুরুতে তাসকিন আহমেদের জোড়া আঘাতে আশার আলো দেখলেও রহমত শাহ ও ইব্রাহিম জাদরানের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় আফগানিস্তান। তাঁদের অর্ধশতাধিক রানের জুটিতেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন। ২৭ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৯ রানের সমীকরণ টপকে যায় আফগানিস্তান।
ব্যাটারদের ব্যর্থতায় আগে ব্যাট করে ১৬০ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে আফগানিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬১ রান। তবে রান রেটের সমীকরণে ফাইনালে জায়গা করে নিতে হলে আফগানদের ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখতে হতো টাইগারদের। সেই কঠিন লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ।
বল হাতে শুরুটা অবশ্য আশাব্যঞ্জক ছিল বাংলাদেশের। দুই প্রান্ত থেকে আক্রমণ শুরু করেন তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম। নিজের দ্বিতীয় ওভারে রহমানুল্লাহ গুরবাজকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন তাসকিন। ৮ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার।
এরপর নিজের দ্বিতীয় শিকার হিসেবে সেদিকুল্লাহ আতালকেও ফিরিয়ে বাংলাদেশের আশাকে আরও উজ্জ্বল করেন তাসকিন। শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আফগানিস্তান। তবে সেই চাপ দীর্ঘস্থায়ী হতে দেননি ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহ।
দুজন মিলে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তানের ইনিংস সামাল দেন। তাঁদের জুটি পঞ্চাশ রান ছাড়িয়ে গেলে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসে। দলীয় ৯৫ রানের মাথায় মুস্তাফিজুর রহমানের বলে ইব্রাহিম জাদরান আউট হলে ভাঙে রহমত শাহর সঙ্গে তাঁর ৫৬ রানের জুটি। ব্যক্তিগত ৩৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন জাদরান। কিন্তু এক প্রান্ত আগলে খেলছেন রহমত শাহ। এরই মধ্যে ব্যক্তিগত অর্ধশতকের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন এই ব্যাটার।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে আফগান বোলারদের তোপে পড়ে বাংলাদেশ। শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দল। সেখান থেকে পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসানের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে টাইগাররা। ইমন করেন সর্বোচ্চ ৭০ রান, আর সাইফের ব্যাট থেকে আসে ৪১ রান। শেষ পর্যন্ত ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানেই গুটিয়ে যায় দলের ইনিংস।
