স্টাফ রিপোর্টারঃ
সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস (প্রাইভেট) লিমিটেড’র ঢাকা কাওরান বাজার শাখার দায়িত্বশীলদের ভূলের কারণে পটুয়াখালীর চিঠি পত্রের খাম গিয়েছে গৌরনদী বরিশাল এ প্রতিষ্ঠানের শাখায়। এতে সময় মতো নিজের প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র হাতে না পাওয়ায় ভোগান্তির শিকার হয়েছেন উক্ত চিঠি পত্রের প্রাপক। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এ ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, ১১ অক্টোবর রবিবার (২০২৬) তারিখ সন্ধ্যায় উক্ত কুরিয়ারের ঢাকা কাওরান বাজার শাখা থেকে পটুয়াখালী পাঠানোর জন্য তাঁর নামে একটি চিঠির খাম বুকিং দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী আজ ১২ অক্টোবর সোমবার(২০২৬) ভুক্তভোগীর এ চিঠি পত্রের খাম তাঁর হাতে পাওয়ার কথা। ভুক্তভোগী আজ ১২ অক্টোবর সোমবার (২০২৬) ফোন পাওয়ার অপেক্ষা করে পটুয়াখালী সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের শাখায় বেলা ১২ টার পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তাঁর নামে কোনও চিঠি পত্রের খাম এসেছে কিনা জানতে চায়। তখন ভুক্তভোগীর মুঠোফোন রিসিভ করে তাঁর ফোন করার কারণ জিজ্ঞাসা করে পটুয়াখালী সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখার একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি জানায় তাঁর নামে কোনও চিঠি পত্রের খাম আজ আসেনি।তখন ভুক্তভোগী গতকাল ১১ অক্টোবর রবিবার তাঁর নামে যে চিঠি পত্রের খাম বুকিং দিয়েছেন তাকে জানায় তিনি তাঁর পাঠানো চিঠি পত্রের খাম পায়নি আজ। তখন তিনি বিভিন্ন ভাবে খোঁজ খবর নিয়ে ভুক্তভোগীকে জানায় তার চিঠি পত্রের খাম গৌরনদী, বরিশাল উক্ত কুরিয়ারের শাখায় রিসিভ হয়েছে।এরপর ভুক্তভোগী সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের পটুয়াখালী শাখায় এবং তাদের হেড অফিসের হটলাইন নাম্বারে গাটের পয়সা খরচ করে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যোগাযোগ করেও কোনও প্রতিকার পায়নি।সুত্রে জানা গেছে, গৌরনদী, বরিশাল থেকে এ চিঠি পত্রের খাম সরাসরি পটুয়াখালী পাঠানোর সুযোগ উক্ত কুরিয়ারের নিয়ম অনুযায়ী নেই। এ চিঠি পত্রের খাম ১২ অক্টোবর সোমবার রাতে গৌরনদী, বরিশাল থেকে পাঠালে তা ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় পৌছাবে।তারপর ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে এ চিঠি পত্রের খাম পটুয়াখালী পাঠালে সম্ভাবনা আছে ১৪ অক্টোবর বুধবার প্রাপক তাঁর চিঠি পত্রের খাম নিজ হাতে পাওয়ার।এমনকি প্রাপকের হাতে এ চিঠি পত্রের খাম পৌঁছাতে এর বেশি কম দিনক্ষণ লাগতেও পারে।ভুক্তভোগী সময় মতো তাঁর কাছে ঢাকা থেকে পাঠানো চিঠি পত্রের খাম হাতে না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন,তাঁর দায়ভার কার উপর বর্তাবে। কে করবে এ ভুলের বিচার, নাকি উক্ত চিঠি পত্রের খাম এর বুকিং দাতা এবং প্রাপক তাদের ভুলের মাশুল দিবেন। অভিজ্ঞ মহলের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বেশ বিগত বছর থেকে ঢাক বিভাগের থেকে মুখ ফিরিয়ে মানুষজন সল্প সময়ে সেবা পাওয়ার লক্ষ্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন নামের কুরিয়ার সার্ভিসের দারস্থ হয়ে চিঠি পত্র সহ ডকুমেন্টস পাঠাতে থাকেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তাদের সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র সঠিক সময় না পেলে অনেকেই ক্ষতির সম্মুখীন পর্যন্ত হয়। এতে কুরারিয়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের কিছু যায় আসে না। তারা এ ব্যাপারে কুরিয়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এ বিষয় মুঠোফোনে জানতে চাইলে পটুয়াখালী সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রতিনিধি জানায়,ঢাকা থেকে পটুয়াখালী চিঠি পত্রের খাম বুকিং হয়েছে, তা গিয়েছে গৌরনদী, বরিশাল আপনিই তো বোঝেন এ দায়ভার কার। এই কথা বলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এজন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয় জানতে বহু চেষ্টা করেও সুন্দরনবন কুরিয়ার সার্ভিস ( প্রাইভেট) লিমিটেড এর কর্তৃপক্ষের মুঠোফোন নম্বর সংগ্রহ করা যায়নি। এ জন্য তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। প্রসঙ্গত: ভুক্তভোগীর নামে যে চিঠি পত্রের খাম ঢাকা থেকে ১১ অক্টোবর রবিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী পাঠানোর উদ্দেশ্য বুকিং দেওয়া হয়েছে তাঁর সিরিয়াল নাম্বার -10004000738484 এবং যে হটলাইন নাম্বারে কল দিয়ে যোগাযোগ করা হয়েছে তার নাম্বার -09610003003।এ সংবাদ এর সাথে সম্পৃক্ত ছবি সংগ্রহীত।
The post কাওরান বাজারে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাণ্ড appeared first on সকালের খবর ২৪.
