চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলমকে ‘গুন্ডা’ আখ্যা দিয়ে তাঁকে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক—কেউ চান না বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের এমপি এবং এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
আজ সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে নারায়ণগঞ্জ ছাত্রশক্তি আয়োজিত জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘চুয়েটের ভিসি একজন গুন্ডা। তাঁকে শিক্ষার্থীরা যেমন চান না, একইভাবে শিক্ষকেরাও চান না। তিনি এত দিন সার্কিট হাউসে বসে অনলাইনে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। তাঁকে আজ ছাত্রদলের কয়েকজন গুন্ডা দিয়ে জোর করে চেয়ার দখল করতে হয়েছে।’
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘তাঁরা দেশকে পুনরায় পিছিয়ে নিতে চায়। তাদের ন্যূনতম লজ্জা, ব্যক্তিত্ব নাই। সব ক্ষেত্রে এসব মানুষ আছে। আমাদের এঁদের প্রতিরোধ করতে হবে।’
একই সঙ্গে সার ডিলার নিয়োগ প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘কিছুদিন আগে সারের ডিলারের নিয়োগপ্রক্রিয়া হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, এমপির ছেলেও সারের ডিলার পেয়েছে, এমপির মেয়েও ডিলার পেয়েছে, আবার এমপির শালীও পেয়েছে। এখন যদি সরকার বিধবা কার্ড চালু করে, তাহলে দেখা যাবে এমপির বউও এই কার্ড নেবে। বাংলাদেশের অবস্থাটাই হচ্ছে এমন। এমনকি বেকার কার্ডও তাঁরা আগে পাবে।’
জেন-জি প্রজন্মকে যোগ্যতা ও মেধাকে প্রাধান্য দিয়ে বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই নিচু মন-মানসিকতা ত্যাগ করে আমরা জেন-জি জেনারেশন যারা আছি, যোগ্যতা ও মেধাকে প্রাধান্য দিয়ে যেন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে পারি—সেই প্রত্যাশাই করি।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন, এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক শওকত আলী, ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তাহমিদ আল মুদাসসির চৌধুরী এবং জেলা এনসিপির আহ্বায়ক যুবায়ের সরদার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মহানগর আহ্বায়ক শওকত আলী, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক জুবায়ের সরদার এবং মহানগর ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক কমরেড আমিনুল ইসলামসহ অনেকে।
