বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ক্রমশ সেটি স্থলভাগের দিকে এগিয়ে আসছে। উপকূলের দিকে আসার সময় একটি বাঁক নেবে সেটি। তারপরই আরও শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এমনই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। সময়ের সঙ্গে ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে এটি অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের আকার নেবে। স্থলভাগের কোন অংশে সেটি আঘাত হানবে? ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে সেটির নাম হবে অর্ণব। সেই কথা আগেই জানা গিয়েছে। অর্ণব বাংলায় কতটা প্রভাব ফেলবে? শেষ মুহূর্তে কি অর্ণবের অভিমুখ বাংলা হবে? সেই নিয়ে জোর চর্চা চলছে।
হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, পূর্ব-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর এই মুহূর্তে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে। ৮ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এগিয়েছে সেটি। আবহাওয়া দপ্তরের প্রাথমিক বার্তা অনুসারে, এটি প্রথমে প্রায় দক্ষিণ দিকে সরে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এরপরই ধীরে ধীরে সেটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে বাঁক নেবে। এই বাঁকেই আরও শক্তি বাড়াবে সেটি। তৈরি হবে ঘূর্ণিঝড়। সেসময় নাম হবে অর্ণব। আগামী কাল, সোমবার সকালে বঙ্গোপসাগরে এই ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।
এরপর আরও শক্তি বাড়াবে অর্ণব। ২৭ অক্টোবর সকালে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে সেটি। স্থলভাগের দিকে ধেয়ে আসার সময় ২৮ তারিখে অর্ণব উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে সেটি আছড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা আছে। সেই কথা প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে সেটি আঘাত হানবে বলে প্রাথমিক খবর।
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় তৈরির সময় সেটির গতিবেগ ১৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হবে বলে খবর। বিশাখাপত্তনমের কাছে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় ঝড়ের গতিবেগ থাকবে সাধারণভাবে ১১৫-১২৫ কিমি। ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ১৪০ কিমি পর্যন্ত। অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া এবং বিজয়ওয়াড়ার মছলিপত্তনমে ল্যান্ডফল হওয়ার প্রবল সম্ভবনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে সেই কথা জানা গিয়েছে।
