ভাত, রুটি দিলেই শুধু ছোট কেন, বড়দের মুখভঙ্গিতেও অনেক সময়ে বিরক্তি প্রকাশ পায়। কিন্তু পিৎজ়া, পাস্তা বা মুখরোচক খাবার হলে দেখে কে! সবসময়ে তো আর পিৎজ়া, পাস্তা খাওয়া চলে না। তা ছাড়া, এই সব খাবারে নজর দিলে ফাঁক পড়বে পুষ্টিতেও। তাই কৌশল। সামনেই পুজো। পালাপার্বণে রেস্তরাঁ, দোকানের উপর প্রতিদিন ভরসা না করে বাড়িতেই বানান লোভনীয় খাবার। আর কৌশলে ভরে দিন পালংও। কেউ টেরই পাবে না। খেয়ে নেবে চেটেপুটে।
পালং পিৎজ়া: পিৎজ়া সস তৈরি হবে পালংশাক দিয়ে। কিন্তু চিজ়ে ভরপুর সেই সবুজ সস্ খুদেও চেটে খাবে। কড়াইয়ে সাদা তেল দিয়ে মিহি করে কুচোনো পেঁয়াজ নাড়াচাড়া করে নিন। যোগ করুন রসুনকুচি। দিয়ে দিন স্বাদমতো নুন। হালকা নাড়াচাড়ার পরে এক চা-চামচ ময়দা দিন। আঁচ কমিয়ে রান্না করে দিন দুধ। ভাল করে নাড়তে থাকুন। যোগ করুন পালংশাক। ঢাকা দিয়ে হতে দিন। চিলি ফ্লেক্স, মোজ়ারেলা চিজ় ছড়িয়ে আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন। চিজ় গলে গেলে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
পিৎজ়ার বেস কিনে আনতে পারেন। সেটি হালকা গরম করে নিয়ে পালং-এর সস লাগিয়ে নিন। আরও কিছুটা চিজ় ছড়িয়ে উপর থেকে মাংসের টুকরো, অলিভ, অরিগ্যানো, চিলিফ্লেক্স ছড়িয়ে মাইক্রোঅভেনে মিনিট ২-৩ ঘুরিয়ে নিন।
পাস্তা: জলে নুন এবং তেল দিয়ে পাস্তা সেদ্ধ করে তুলে রাখুন। পালংশাক ভাপিয়ে রসুন, কাঁচালঙ্কা এবং নুন দিয়ে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। কড়াইয়ে মাখন দিয়ে পেঁয়াজ, রসুনকুচি ভেজে নিয়ে পালংয়ের মিশ্রণ দিয়ে আঁচ কমিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন, যাতে কাঁচা গন্ধ চলে যায়। যোগ করুন ফ্রেশ ক্রিম বা দুধ। দিয়ে দিন অরিগ্যানো, গোলমরিচ। সেদ্ধ পাস্তা দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন। উপর থেকে চিজ়, চিলি ফ্লেক্স ছড়িয়ে আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিন। আরও ২ মিনিট পর আঁচ বন্ধ করে সমস্ত উপকরণ মিশিয়ে নিন।
স্প্রিং রোল: পালংশাক কুচিয়ে নুন-হলুদ দিয়ে ভাপিয়ে জল ঝরিয়ে নিন। কড়াইয়ে মাখন দিয়ে রসুনকুচি দিয়ে নাড়াচাড়া করে পালংশাক দিয়ে হালকা ভেজে নিন। যোগ করুন পছন্দের চিজ় এবং সেদ্ধ সুইট কর্ন। মিশ্রণটি ঠান্ডা করে স্প্রিং রোলের শিটে ভরে রোলের মতো মুড়ে এয়ার ফ্রায়ারে সেঁকে নিন বা তেলে ভেজে নিন।
