উৎসবের কয়েকটা দিন দেদার অনিয়ম। সকাল থেকে মণ্ডপ ভ্রমণ, রাত্রে বাড়ি ফিরে আবারও আনন্দে মাতোয়ারা। আয়না নিজেকে দেখে নিজেই অবাক হচ্ছেন তো?
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৫৪
০১ / ১০
উৎসবের কয়েকটা দিন দেদার অনিয়ম। সকাল থেকে মণ্ডপ ভ্রমণ, রাত্রে বাড়ি ফিরে আবারও আনন্দে মাতোয়ারা। আয়না নিজেকে দেখে নিজেই অবাক হচ্ছেন তো?
০২ / ১০
চোখের নিচে পুরু কালচে দাগ! এমতাবস্থায় ঘরে থাকা কিছু সাধারণ জিনিসই হয়ে উঠতে পারে অব্যর্থ। পুরোপুরি দূর না হলেও সাময়িক ভাবে স্বস্তি দিতে পারে আপনার চোখকে।
০৩ / ১০
ঠান্ডা জলে ভেজানো পরিষ্কার কাপড় বা কাপড়ে মোড়া ঠান্ডা সেঁক কয়েক মিনিট চোখের তলায় রাখুন। এতে ফোলাভাব সাময়িক ভাবে কমতে পারে, ফলে কালচে ছাপও কিছুটা কমতে পারে।
০৪ / ১০
চা খাওয়ার পর টি-ব্যাগ ফেলে না দিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন। এতে থাকা ক্যাফিন ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট চোখের চারপাশের রক্তজালিকা সংকুচিত করে। এর ফলে কালচে ছোপ কমতে পারে খানিকটা।
০৫ / ১০
দুধে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের পিগমেন্টেশন হালকা করতে সাহায্য করে। দুধ খানিক ঠান্ডা করে নিন। এরপর দুধে তুলো ভিজিয়ে তা চোখের তলায় কিছুক্ষণ রাখুন। কালচে দাগ দূর হবে কিছুটা।
০৬ / ১০
আলু প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান হিসেবে কাজ করে। আলুর রস তুলো দিয়ে আলতো করে চোখের তলায় রাখুন। উপকার মিলতে পারে। তবে আলু ব্যবহারের আগে প্যাচ পরীক্ষা জরুরি। হাতে বা পায়ে অল্প করে আলুর রস লাগিয়ে আগে দেখে নিন কোনও প্রদাহ বা অস্বস্তি হচ্ছে কিনা। যদি না হয় তবেই চোখের তলায় লাগান।
০৭ / ১০
অ্যালোভেরা ত্বককে সতেজ রাখে। চোখের চারপাশের সংবেদনশীল চামড়াকে পুষ্টি জোগায়। রাতে শোওয়ার আগে সামান্য অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেগে মুছে ফেলুন। তবে এ ক্ষেত্রেও 'প্যাচ পরীক্ষা' দরকারি।
০৮ / ১০
কখনও ক্লান্তি, কখনও বংশগত কারণ, আবার কখনও অ্যালার্জি, বা পরিমাণ মতো ঘুম না হওয়ার কারণেও চোখের তলায় কালো দাগ আসতে পারে।
০৯ / ১০
সূর্যের অতিবেগনি রশ্মিতে ত্বকে প্রভাব ফেলে। তাই বেরনোর আগে অবশ্যই রোদচশমা ব্যবহার করতে ভুলবেন না। একই সঙ্গে ব্যবহার করুন সানস্ক্রিন।
১০ / ১০
পর্যাপ্ত ঘুম আর জল পান না করলেও কিন্তু শরীর ভিতর থেকে ঠিক হবে না। ঘরোয়া টোটকাতে কালো দাগ না কমলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
পরবর্তী গ্যালারি
খিচুড়ি-নাড়ু তো থাকবেই, কিন্তু লক্ষ্মীর প্রিয় মিষ্টি কী বলুন তো? পুজোর ভোগে বাড়িতেই বানান ঠিক এই ভাবে
জানেন কি মা লক্ষ্মীর রয়েছে এক পছন্দের মিষ্টি। এই মিষ্টি খাইয়ে তাঁর মানভঞ্জন করেছিলেন খোদ নারায়ণ। বানানো খুব একটা কঠিন নয়।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৩০
০১ / ১৩
বাঙালির ঘরের মেয়ে মা লক্ষ্মী। পূর্ণিমা তিথিতে আকাশে যখন গোল চাঁদ, প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী সে দিনই মর্ত্যে আসেন তিনি। ঘুরেফিরে দেখেন হালহকিকত।
০২ / ১৩
আবার কখনও বা প্রবেশ করেন ভক্তদের ঘরেও। ঘটা করে এ দিন বাঙালি বাড়িতে আয়োজিত হয় নানা ধরনের বাহারি পদ।
০৩ / ১৩
লুচি-সুজি থেকে খিচুড়ি, মোয়া, নাড়ু সে এক এলাহি আয়োজন। তবে জানেন কি মা লক্ষ্মীর রয়েছে এক পছন্দের মিষ্টি।
০৪ / ১৩
যা পুজোর ভোগে থাকলে তিনি নাকি বিশেষ খুশি হন। এ বারের লক্ষ্মীপুজোয় বাড়িতে বানাবেন নাকি সেই মিষ্টি? কী বা নাম তার?
০৫ / ১৩
সেই মিষ্টির নাম হল লক্ষ্মীবিলাস। এই মিষ্টি খাইয়ে তাঁর মানভঞ্জন করেছিলেন খোদ নারায়ণ। বানানো খুব একটা কঠিন নয়।
০৬ / ১৩
নিয়ে নিন চার কাপ ময়দা, ২ কাপ নারকেল কোরা, ৬০ গ্রাম খোয়া ক্ষীর। দুধ নিন দুই কাপ, সঙ্গে এক টেবিল চামচ এলাচ গুঁড়ো, এক কাপ পাটালি গুড়, মধু এক কাপ, সাদা তেল বা ঘি প্রয়োজন মতো।
০৭ / ১৩
প্রথমে একটা বড় জায়গায় ময়দা, নারকেল কোরা, খোয়া ক্ষীর, এলাচ গুঁড়ো, পাটালি গুড় আর মধু এক সঙ্গে ভাল করে মেখে নিতে হবে।
০৮ / ১৩
সবকিছু একসাথে মিশে গেলে অল্প অল্প করে দুধ মিশিয়ে মাখতে থাকুন যতক্ষণ না একটা থকথকে মিশ্রণ তৈরি হচ্ছে।
০৯ / ১৩
এক সঙ্গে সব দুধ দিয়ে দেবেন না, মিশ্রণ পাতলা হয়ে যেতে পারে। দুধ কিন্তু আগের থেকে ফুটিয়ে রাখতে হবে। এ বার এই রান্নার দ্বিতীয় ধাপ।
১০ / ১৩
কড়াইতে সাদা তেল বা ঘি দিয়ে দিন। মাথায় রাখবেন ডুবো তেলে ভাজতে হবে তাই কার্পণ্য করবেন না।
১১ / ১৩
তেল বা ঘি গরম হতে দিয়ে মিশ্রণটি ভাল করে ফেটিয়ে নিন। ভাল করে ফেটালে লক্ষ্মী বিলাস নরম হবে আর ফুলে উঠবে।
১২ / ১৩
ভাল মত গরম হয়ে গেলে একটা মাঝারি মাপের হাতা দিয়ে তেলে মিশ্রণ দিয়ে দিন । ঠিক যে ভাবে মালপোয়া ভাজেন তেমন করে ভাজলেই হবে।
১৩ / ১৩
বেশ কিছুক্ষণ ভাজার পর তা নামিয়ে নিলেই তৈরি লক্ষ্মীদেবীর প্রিয় মিষ্টি। মা লক্ষীর ভোগে হোক বা অতিথি আপ্যায়নে এই লক্ষ্মী বিলাসেই শুভ হোক আসন্ন কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমা। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
