প্রকাশিত: ০৮:১২, ২২ অক্টোবর ২০২৬ আপডেট: ০৮:১৪, ২২ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
হাসপাতালে নেওয়ার পর আহত যুবদল নেতাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জহির ফকির নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার চরকিশোরগঞ্জ ইউনিয়নে তার ওপর হামলা হয়।
নিহত জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। তিনি কালাপাহাড়িয়ার মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাতে যুবদল নেতা জহির ফকির নিজের ফার্মেসির দোকান বন্ধ করে বাসায় ফিরছিলেন। পথে ১৫/২০ জন তার পথ আটকায়। তারা এলোপাতাড়ি তাকে কুপিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় জহির ফকিরকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাগ্নে ইসমাইল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, কালাপাহাড়িয়া এলাকার এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে আমার মামার দ্বন্দ্ব ছিল। মামা আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব খোরশেদ আলম বলেন, জহির আমাদের দলের একজন ত্যাগী নেতা ছিলেন। তার বাসা কালাপাহাড়িয়া হলেও তিনি মুন্সিগঞ্জে বসবাস করতেন। হঠাৎ খবর পেলাম ১৫-২০ জনের কোনো একটা গ্রুপ তাকে হত্যা করেছে। তিনি প্রায় সময় আমাকে বলতেন যে, তাকে মেরে ফেলা হবে। কিন্তু কার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব ছিল তা নিশ্চিত হতে পারিনি।
সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল বারিক বলেন, নিহত যুবদল নেতার চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় একটি ফার্মেসির দোকান রয়েছে। সেই দোকান বন্ধ করে তিনি বাসার উদ্দেশ্যে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা তাকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনায় তদন্ত চলমান।
