হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি বিমান ছবি: X
Published on
:
1 min read
রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফের হামলা চালাল হুথি বিদ্রোহীরা। হামলার জেরে বিমানবন্দরে আগুন লেগে যায়। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত ১১ জন। রবিবার একই সঙ্গে দাম্মাম বিমানবন্দরেও হামলা হয় বলে দাবি সৌদি কর্তৃপক্ষের।
বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৪-এ একটি অজ্ঞাতপরিচয় বস্তু আছড়ে পড়ে বলে অভিযোগ। বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। তার পরেই আগুন লেগে যায়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। বিমানবন্দরের কাছে একটি ক্রুজ় মিসাইল উড়ে আসছিল। সেটাকে আকাশেই ধ্বংস করার দাবি করেছে সেনা। পাশাপাশি খামিস মুশাইতের দিকে ছোড়া একটি ড্রোন এবং ব্যালেস্টিক মিসাইলও রুখে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
এদিনই রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে একটি মিসাইল আছড়ে পড়ে বলে অভিযোগ। তার জেরে আগুন ধরে যায় বিমানবন্দরের একাংশে। সেই সময়ে একটি বিমানে যাত্রীরা উঠছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের নেমে যেতে বলা হয়। খালি করে দেওয়া হয় বিমানবন্দর।
ইতিমধ্যেই হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনে ১২৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। তার জেরেই এই হামলা। হুথি-নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের বিদেশ মন্ত্রকও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘সৌদি আরব সামরিক অভিযান বন্ধ না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।’
এর মধ্যেও নির্ধারিত সূচি মেনে রবিবার রিয়াধে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার পাঁচ দিনের সম্মেলন শুরু হয়েছে রিয়াধে। সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি ফোরামের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে নির্ধারিত সময়েই। তবে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে রিয়াধের স্কুলগুলিতে অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অনলাইনেই পঠনপাঠন চলবে বলে জানানো হয়েছে।
