গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন লেনদেন সহজ করা এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলা কিউআরের ব্যবহার সম্প্রসারণে কর্মসূচি আয়োজন করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
রাজধানীর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডের নিচতলায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়-সংলগ্ন স্থানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যবসা সম্প্রসারণ, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. আনিছুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজিপি ও কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালক মো. আকরাম হোসেন এবং বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি, পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট ও কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালক আহম্মদ মুঈদ। এ সময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাগত বক্তব্যে আহম্মদ মুঈদ বলেন, ডিজিটাল লেনদেন জনপ্রিয় করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গ্রাহকের আস্থা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করে আরও বেশি মানুষকে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মো. আকরাম হোসেন বলেন, ডিজিটাল লেনদেনের প্রসারে গ্রাহকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে হবে। আধুনিক লেনদেন পদ্ধতির সঙ্গে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের পরিচিত করে তুলতে এবং তাদের আস্থা বাড়াতে ধারাবাহিক যোগাযোগের প্রয়োজন রয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডেপুটি গভর্নর মো. আনিছুর রহমান সহজলভ্য, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির সর্বস্তরে ডিজিটাল লেনদেনের সুফল পৌঁছে দিতে সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
কমিউনিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা আরও সম্প্রসারণে কাজ করছে ব্যাংক। লেনদেন সহজ করা, গ্রাহকের সুবিধা বৃদ্ধি এবং আস্থা অর্জনই ডিজিটাল উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল সেবার নিয়মিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাবে কমিউনিটি ব্যাংক।
ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়িয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের গ্রাহকসেবা সহজ করা এবং আরও বেশি দৈনন্দিন লেনদেনকে প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়িক কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধি, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
