প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে গিয়ে ধবলধোলাই হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। তিন ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা হয়েছিলেন স্বাগতি পেসার মেগান শুট। তিনি এবার ভিন্ন কারণে আলোচনায়। নির্ধারিত প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে শুটকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) রাতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে লড়বে অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচ দিয়ে শুটের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। তার বাকি নিষেধাজ্ঞা সম্পন্ন হবে নারী বিগ ব্যাশের উদ্বোধনী ম্যাচে। এক বিবৃতিতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) জানিয়েছে, ‘প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্পোর্টস সায়েন্স ও মেডিসিন নির্দেশিকায় উল্লিখিত শর্তাবলি মেনে চলতে শুট ব্যর্থ হয়েছেন।’
তারা আরও জানায়, ‘শুটের নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনাটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, যা প্রতিযোগিতার বাইরে ঘটেছিল। যা ম্যাচে পারফরম্যান্স-বাড়ানোর উদ্দেশে ব্যবহৃত হয়নি। দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে সম্মিলিতভাবে কার্যকর হবে। তবে আমরা মেগানকে পর্যাপ্ত সমর্থন দিয়ে যাব। একইসঙ্গে আমাদের খেলার প্রতিনিধিত্বকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে যে মান ও দায়িত্ব প্রত্যাশিত, তা নিশ্চিত করার বিষয়টি জোরদার করব।’
শাস্তি পেয়ে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা পেসার। শুট বলছেন, ‘আমি আরোপিত শাস্তি পুরোপুরি মেনে নিচ্ছি এবং আমার কাছে যে মান প্রত্যাশা করা হয়েছিল সেটি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ক্ষমাপ্রার্থনা করছি। এই ঘটনায় আমি অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় দুঃখিত এবং সর্বাবস্থায় আমাকে সমর্থন দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা। পারফরম্যান্সে প্রভাব না ফেললেও, স্পোর্টস সায়েন্স ও মেডিসিন নির্দেশিকা যে মানতে বাধ্য তা বুঝতে পারছি। খেলোয়াড়দের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া এই নির্দেশিকাগুলো মেনে চলা উচিত ছিল।’
মেয়েদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা ১০ উইকেটসংগ্রাহকের একজন শুট। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ান এই পেসার ২৪৪টি ম্যাচে ৩১৯ উইকেট (টেস্টে ৪, ওয়ানডেতে ১১৪ এবং টি-টোয়েন্টিতে ১২৬ উইকেট) নিয়েছেন। কিউইদের বিপক্ষে চলমান সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচে ছিলেন না শুট। তবে অজিদের স্কোয়াডে থাকায় তৃতীয় ম্যাচে তার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। পরবর্তীতে ৩১ অক্টোবর বিগ ব্যাশে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের ম্যাচেও খেলতে পারবেন না শুট।
এএইচএস
