রাজধানীর খিলগাঁও দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে মুহাম্মদ শাহবাজ (২৬) নামে এক পাকিস্তানি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে উদ্ধার হয়েছে শাহ আলম (৫৩) নামে আরেক ব্যবসায়ীর মরদেহ।
আজ মঙ্গলবার সকালে দুটি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ জুবায়ের জানান, দক্ষিণ বনশ্রীর এফ ব্লক, ৯/৫ নম্বর রোডের ৩৮ নম্বর বাড়ির নিচ তলায় ভাড়া থাকতেন পাকিস্তানি ওই নাগরিক। তাঁর বাড়ি পাকিস্তানের মুলতান জেলার জামালপুর থানা এলাকায়। বাবার নাম নাজির আহমেদ। পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি বাংলাদেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এক তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন। তাঁকে নিয়েই বনশ্রীর বাসায় থাকতেন। কিছুদিন আগে স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে অন্যত্র বিয়ে করেন।
এসআই জানান, স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শাহবাজ দুদিন আগে সাতক্ষীরা গিয়েছিলেন। তবে ব্যর্থ হন। পারিবারিক এসব কারণে তিনি গতকাল সোমবার রাতে যেকোনো সময় কক্ষের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে রাত ৩টার দিকে ওই বাসার দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে বিছানার চাদর প্যাঁচানো ঝুলন্ত মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এদিকে, আরেক সুরতহাল প্রতিবেদনে ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইকবাল আহমেদ জিন্নাহ উল্লেখ করেছেন, আজ মঙ্গলবার ভোরে ধানমন্ডির ৩ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাড়ির ৩য় তলার ফ্ল্যাটে নিজের বিছানার ওপর থেকে উদ্ধার করা হয় শাহ আলমের মরদেহ।
তিনি জানান, শাহ আলম ব্যবসায়ী। সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাসায় ফিরে খাবার খেয়ে নিজের কক্ষে যান। আধা ঘণ্টা পর গৃহপরিচারিকাকে ডেকে পানি দিতে বলেন। তবে পানি নিয়ে গেলে পান না করে জানান, বুকে ব্যথা অনুভব করছেন। এর কিছুক্ষণ পরই নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে গৃহপরিচারিকা বাড়ির ম্যানেজার ও দারোয়ানকে জানালে তাঁরা থানায় খবর দেন।
