চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামের দিনমজুর দবির উদ্দীন। জীবনের শেষ বয়সে এসেও থেমে নেই। নাম লিখিয়েছেন স্বর্ন পাচারকারী চক্রে। কৃষক কিংবা দিনমজুরের বেশে নিয়মিত করেন এ কাজ। কথায় বলে, চোরের দশদিন, গৃহস্থের একদিন। অবশেষে ধরা পড়েছেন বিজিবির হাতে।
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৬টি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় দবির উদ্দিন (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
জব্দ করা স্বর্ণের বারগুলোর ওজন ৭০০ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে ভারতে স্বর্ণ চোরাচালানের সময় তাঁকে আটক করা হয়।
আটক দবির উদ্দিন দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর গ্রামের মো. দলিলের ছেলে।
বিজিবি জানায়, ৬ বিজিবির অধীন মুন্সিপুর বিওপির একটি টহলদল এ অভিযান পরিচালনা করে। হাবিলদার আল-আমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত টহলদলটি সীমান্তের মেইন পিলার ৯৩ থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মুন্সিপুর এলাকার কবরস্থানের পাশে সীমান্ত অতিক্রম করে স্বর্ণ পাচারের চেষ্টার খবর পায়। পরে অভিযান চালিয়ে ভারতে স্বর্ণ চোরাচালানের সময় দবির উদ্দিনকে ৬টি স্বর্ণের বারসহ আটক করেন বিজিবি সদস্যরা।
বিজিবি আরও জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে দামুড়হুদা থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি জব্দ করা স্বর্ণের বারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারিতে জমা দেওয়ার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, “সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।”
