দেশের একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ওই নেতা হয়তো কোনো খারাপ উদ্দেশ্যে চুমু দেন না, তবে তাঁর এই ধরনের আচরণে প্রভাবিত হয়ে দুশ্চরিত্র সুযোগসন্ধানীরা শিশুদের দিকে কুনজর দিলে যে পরিণতি হতে পারে, তা টঙ্গীর সাম্প্রতিক ঘটনায় দৃশ্যমান হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। তবে পোস্টে তিনি নির্দিষ্ট কোনো দল বা নেতার নাম উল্লেখ করেননি।
গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদরাসাশিক্ষক কর্তৃক শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়া এবং পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর অভিভাবক কর্তৃক শিক্ষককে শাসনের ঘটনা উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, চুমু দেওয়া যেমন একজন শিক্ষকের কাজ নয়, তেমনি রাজনৈতিক নেতারও কাজ নয়। এই ঘটনায় অভিভাবকদের মাঝে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কোনো একজন ব্যক্তির অপরাধের জন্য পুরো মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে অভিযুক্ত বা প্রশ্নবিদ্ধ করা মোটেও সমীচীন নয়। শিক্ষক সমাজকেই এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লেখেন, স্বাভাবিক আদর বা ভালোবাসার প্রকাশ হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রকাশ্যে চুমু দেওয়া অত্যন্ত বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করে। আশা করা যায়, টঙ্গীর ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতা ও শিক্ষক সমাজ এই বিষয়ে সচেতন ও সতর্ক হবেন।
জেএইচআর
