The Sangbad · সাধারণ
সুপারফুড নিয়ে প্রচলিত ধারণা কতটা বৈজ্ঞানিক?
২২/১০/২০২৬

পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ
খাবারকে প্রায়ই ‘সুপারফুড’ নামে
প্রচার করা হয়। এসব
খাবারে সাধারণত ভিটামিন, খনিজ,
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও
ফাইবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি
উপাদান থাকে। তবে ‘সুপারফুড’ শব্দটির কোনো
স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা
নেই।
শুধু নির্দিষ্ট কোনো
খাবার খেলেই সুস্থ
থাকা যাবে, এমন
ধারণারও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি
নেই।কোন খাবারে কী পুষ্টি?সুপারফুড হিসেবে
পরিচিত বিভিন্ন খাবারে
শরীরের জন্য উপকারী
পুষ্টি উপাদান পাওয়া
যায়। যেমন:
বেরি-জাতীয় ফল:
এতে থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।
ওটস ও পূর্ণ শস্য: ফাইবারের ভালো উৎস। এটি হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করে।
মাছ, আখরোট ও তিসিবীজ: এসব খাবারে ওমেগা-৩
ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়।
ফল ও শাকসবজি:
শরীরের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভিটামিন ও
খনিজ সরবরাহ করে।
অর্থাৎ, এসব
খাবারের পুষ্টিগুণ রয়েছে।
তবে কোনো একটি
খাবারই শরীরের সব
পুষ্টির চাহিদা পূরণ
করতে পারে না।পুষ্টিকর খাবারও খেতে হবে পরিমিতকোনো
খাবারে উপকারী পুষ্টি
উপাদান থাকলেই তা
ইচ্ছেমতো খাওয়া উচিত
নয়। অ্যাভোকাডো ও
বাদামের মতো খাবারে
প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকলেও
এগুলোতে ক্যালরির পরিমাণ
তুলনামূলক বেশি। তাই
খাবারের গুণাগুণের পাশাপাশি কতটা
খাওয়া হচ্ছে, সেদিকেও নজর
রাখা জরুরি।খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য কেন প্রয়োজন?পুষ্টিবিদদের পরামর্শ হলো,
কয়েকটি খাবারকে ‘সুপারফুড’ হিসেবে
আলাদা গুরুত্ব না
দিয়ে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য রাখা।
এ জন্য বিভিন্ন রঙের
ফল ও সবজি,
পূর্ণ শস্য, ডাল,
মাছ, বাদাম এবং
প্রয়োজন অনুযায়ী দুগ্ধজাত খাবার
বা এর বিকল্প
রাখা যেতে পারে।সুস্বাস্থ্যের জন্য সুষম খাদ্যাভ্যাসই মূল কথা
বাড়তি
দাম দিয়ে বিশেষ
কোনো খাবার কেনার
পরিবর্তে প্রতিদিনের পরিচিত
খাবার থেকেও প্রয়োজনীয় পুষ্টি
পাওয়া সম্ভব। তাই
সুপারফুডের ওপর নির্ভরশীল না
হয়ে পরিমিত ও
বৈচিত্র্যময় খাবার খাওয়ার
অভ্যাস গড়ে তোলাই
গুরুত্বপূর্ণ।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗