ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ যুবক
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন পাচার হওয়া ছয় বাংলাদেশি যুবক।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোম্বর) বিকেলে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
ফেরত আসা ব্যক্তিরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম (২১) আব্দুল করিম (২৫), মোহাম্মদ আলী (২৬), সাব্বির ইসলাম (২৬) হাফিজুর (২৬) ও আব্দুল সবুর (৪০)। তারা গাজীপুর, বগুড়া, সুনামগঞ্জ ও কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, ভালো কাজের আশায় দালালের খপ্পড়ে পড়ে তারা চার বছর আগে রংপুর, সাতক্ষীরা ও সিলেট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতের জম্মু-কাশ্মীর গিয়েছিলেন। সেখানে তারা শ্রমিকের কাজ করতেন। পরে সেদেশের পুলিশের হাতে আটক হন তারা। পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আদালত তাদের তিন বছর সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা দায়িত্ব নিয়ে তাদের শেল্টার হোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভের পারমিটের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার বিকেলে তারা দেশে ফেরেন।
তিনি আরও জানান, ভারত ফেরত ছয় বাংলাদেশিকে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার তাদের গ্রহণ করে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।
যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ডেপুটি ম্যানেজার মুহিত হোসেন জানান, ফেরত আসাদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদের শেল্টার হোমে রাখা হয়েছে। আগামীকাল শুক্রবার তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নজরুল/এএফ
আরও পড়ুন
কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এল আরও এক মরদেহ
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->কক্সবাজার শহরের কলাতলী ভাঙ্গার মোড় এলাকার সৈকতে একটি মরদেহ ভেসে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে মরদহটি বুধবার হিমছড়ি সৈকতে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক এসএম নাফিসুর রহমান নিবিড়ের।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের কলাতলী ভাঙার মোড় সৈকতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সৈকতে জেলা প্রশাসন ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির নিয়োজিত বিচ কর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুব আলম।
তিনি জানান, মরদেহটি গতকাল সাগরে স্রোতে ভেসে যাওয়া পর্যটক নাফিসুর রহমান নিবিড়ের হতে পারে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। মরদেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তারেকুর রহমান/নাঈম
আরও পড়ুন
যমুনার চরে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের শরতের আড্ডা
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->যতদূর চোখ যায় শুধু সাদা কাশফুল, মাঝে মাঝে একটা সরু খালের মতো জল। বিকেলের নরম রোদে কাশফুলগুলো যেন সোনা হয়ে যায়। এখানকার উন্মুক্ত পরিবেশের ছোট দোকানগুলোর লাল চা আর পাঁচ টাকার বিস্কুটের স্বাদ শহরের কোনো ক্যাফেতেই পাওয়া যায় না। টিনের একটি ছাপড়া, ভিতরে দুটো বেঞ্চ। কেটলি কালো হয়ে গেছে, চিনির কৌটা খোলা। দোকানি চাচা তাড়াহুড়ো করেন না, আস্তে আস্তে চা ঢালেন। বিস্কুটটা শক্ত, কিন্তু বালুর ওপর বসে, যমুনার হাওয়া খেতে খেতে এটাই মনে হয় অমৃত।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এমনই এক মায়াবী পরিবেশে টাঙ্গাইলের পৌলী এলাকায় যমুনার চরে ‘শরতের আড্ডা’র আয়োজন করে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার।
বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের সদস্যরা বই পড়ার পাশাপাশি অংশ নেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে, তারই অংশ হিসেবে এই আয়োজন। দিনব্যাপী এ আড্ডায় ছিল গান, কবিতা আবৃত্তি ও সাহিত্য আড্ডার পাশাপাশি নৌকা ভ্রমণ, মাছ ধরা, কাশবনে ঘুরে বেড়ানো। এভাবেই সারা দিন আনন্দমুখর সময় কাটান সদস্যরা।
বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান জানান, আবহমান বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য, প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে পারস্পরিক ভাববিনিময় এবং আনন্দমুখর সহমর্মিতার পরিবেশ নির্মাণই এ আড্ডার উদ্দেশ্য।
প্রসঙ্গত, “এসো বই পড়ি নিজেকে আলোকিত করি” স্লোগানকে ধারণ করে ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চৌরাকররা গ্রামে গড়ে ওঠে ‘বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার’।
জুয়েল/নাঈম
আরও পড়ুন
শেরপুরে ড্রামের ভেতরে পাওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->শেরপুরের শ্রীবরদীতে প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে উদ্ধার করা অজ্ঞাত নারীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিহত নারী নাম ঝিনুক আক্তার (২৮)। তিনি গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার এরশাদ নগর এলাকার শাকিল-বেবী দম্পতির মেয়ে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার কুড়িকাহনিয়া বাজার এলাকার কুটেমনি ব্রিজের নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় থাকা নীল রঙের একটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম খালের পানিতে ভাসতে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে তারা গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে শ্রীবরদী থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রামটি খুললে গলায় কাপড় প্যাঁচানো অবস্থায় এক নারীর মরদেহ দেখতে পান।
মরদেহের কপাল ও মুখে ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল বলেও জানা যায়। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্তে কাজ শুরু করে পিবিআই। বায়োমেট্রিক ডিভাইসের সহায়তায় পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালানোর পর তার পরিচয় পাওয়া যায়। তবে তার দেওয়া ঠিকানায় স্বজনদের কাউকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, কে বা কারা তাকে হত্যা করে রাতের আধারে ড্রামে ভর্তি করে এখানে ফেলে যেতে পারে।
শেরপুর ও জামালপুর জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) পংকজ দত্ত বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। মরদেহের পরিচয়সংক্রান্ত একটি ঠিকানা পাওয়া গেছে। তবে, ওই ঠিকানায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে আশা করি দ্রুতই নিহত নারীর স্বজনদের পরিচয় ও সন্ধান পাওয়া যাবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. মিজানুর রহমান ভুঁইয়া জানান, মরদেহটির ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।
শাকিল/নাঈম
আরও পড়ুন
ফটিকছড়িতে মহাসড়কের পাশ থেকে নবজাতক উদ্ধার
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ফটিকছড়িতে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ থেকে একটি নবজাতক ছেলে শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর পাইন্দং আমতল এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর মহাসড়কের পাশে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা এগিয়ে যান। মুহূর্তেই বিষয়টি আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা সেখানে ভিড় জমান।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ মানিক জানান, শিশুটির বয়স এক দিনের বেশি হবে না। পরে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। বর্তমানে শিশুটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। কে বা কারা এই নবজাতককে সেখানে ফেলে রেখে গেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নাজমুল/এএফ
