ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত মিশর। রোববার দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এ কথা জানিয়েছে।
মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি সৌদি আরবের অনুরোধ এলে দেশটিকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার অনুমোদন নিতে পার্লামেন্টের জরুরি অধিবেশন ডেকেছেন। অধিবেশনে এ বিষয়ে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হুতিরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর সংঘাত আবারও তীব্র হয়েছে।
মিশরের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, সম্পদ, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও পবিত্র ইসলামি স্থানগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেবে মিশর।
এর আগে শনিবার এক বক্তব্যে সিসি বলেন, সৌদি বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশনা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে তার দেশ।
মিশর ও সৌদি আরব ঘনিষ্ঠ কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদার। ২০১৩ সালে মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ মিশরকে বিপুল পরিমাণ আর্থিক সহায়তা, বিনিয়োগ ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আমানত দিয়েছিল।
২০১৫ সালে ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটেও যোগ দিয়েছিল মিশর। তবে ওই অভিযানে দেশটির সরাসরি সামরিক ভূমিকা ছিল সীমিত।
সূত্র: রয়টার্স
