Published on
:
2 min read
এই সময়, হাসনাবাদ: রাজ্য বাজেটে বসিরহাট জেলার প্রস্তাব নেওয়ার পর থেকেই নড়েচড়ে বসেছেন টাকি হাসনাবাদের মানুষ। টাকি পুর এলাকাকে সামনে রেখে হাসনাবাদ, হিঙ্গলগঞ্জ ও হেমনগর উপকূল থানা এলাকা নিয়ে হাসনাবাদকে পূর্ণাঙ্গ মহকুমা গঠনের দাবি তুলেছেন এলাকার মানুষ। সম্প্রতি নাগরিক কনভেনশনের মাধ্যমে নাগরিক মঞ্চ গঠন করে মহকুমার দাবিতে শুরু হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। মহকুমার দাবিতে রবিবার এক পদযাত্রার আয়োজন করা হয় হাসনাবাদ মহকুমা নাগরিক মঞ্চের পক্ষ থেকে। টাকি রাজবাড়ি ঘাট থেকে হাসনাবাদ ব্রিজ পর্যন্ত চার কিলোমিটার রাস্তায় এলাকার ছাত্র, যুব ও বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন মহকুমার দাবিতে।
তৃণমূল জমানায় বারবার বসিরহাট মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় প্রশাসনিক সভার পাশাপাশি রাজনৈতিক মঞ্চে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বসিরহাট মহকুমাকে জেলা করার কথা বললেও তা কার্যকর হয়নি। পালাবদলের পর রাজ্য বাজেটে বসিরহাট জেলার প্রস্তাব করা হয়। আর তাতেই বসিরহাটের মানুষ আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। যদিও বসিরহাট জেলা তৈরি হলে জেলার অধীনে কোনও মহকুমা থাকবে কি না তা এখনও জানা যায়নি। প্রশাসনিক স্বার্থে কয়েক বছর আগে গঠিত বসিরহাট পুলিশ জেলায় হাসনাবাদ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ও মিনাখাঁ পুলিশ আধিকারিক নিয়োগ করা হয়। আর এতেই এলাকার মানুষ হাসনাবাদকে আলাদা মহকুমার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। হাসনাবাদ মহকুমা নাগরিক মঞ্চের দাবি, টাকি ও হাসনাবাদে মহকুমা পুলিশ অফিস–সহ রাজ্য সরকারের পাঁচটি মহকুমা দপ্তর রয়েছে। টাকি একটি বর্ধিষ্ণু পুর শহর। টাকি ও হাসনাবাদের সঙ্গে রয়েছে কলকাতা ও বারাসতের রেল ও সড়ক যোগাযোগ। এখানে বহু হোটেল ও আবাসিকদের থাকার জায়গা রয়েছে। রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে ইছামতীর তীরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে টাকি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এই সমস্ত কারণকে সামনে রেখে হাসনাবাদকে পূর্ণাঙ্গ মহকুমা গঠনের দাবি তুলেছে নাগরিক মঞ্চ।
হাসনাবাদ নাগরিক মঞ্চের আহ্বায়ক সায়ক ঘোষ বলেন, ‘হাসনাবাদ হিঙ্গলগঞ্জ ও হেমনগর কোস্টাল থানা নিয়ে এই মহকুমা গঠনের দাবি আমরা দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছি। ইতিমধ্যে স্থানীয় ব্লক, মহকুমা ও জেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন আধিকারিক এর কাছে হাসনাবাদকে মহকুমা করার আবেদন জানিয়ে চিঠি দেওয়ার পাশাপাশি দপ্তরে গিয়ে আধিকারিকদের হাতে আবেদন পত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।’
