Published on
:
1 min read
এই সময়: এসআরএফটিআই (সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট)–এর উপাচার্য সন্তোষ আজমেরার পদত্যাগ চেয়ে পড়ুয়াদের একাংশের অনির্দিষ্ট কালের অবস্থান–বিক্ষোভ মঙ্গলবারও অব্যাহত। ক্লাস বয়কটের পাশাপাশি সোমবার ক্যাম্পাসে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ঘিরে প্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।
আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ মিছিলেও অংশ নেন। এমনকী, ক্লাস বয়কট চললেও প্রতিবাদের অংশ হিসেবে রিডিং সেশন ও ফিল্ম স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। স্টুডেন্টস ইউনিয়নের তরফে বর্তমান উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে সরব পড়ুয়ারা বিবৃতিও জারি করেছেন।
ছাত্র সংসদের সভাপতি ব্লসম হাজারিকা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট শুভম ওয়ায়দান্দের স্বাক্ষরিত দাবিসনদে বলা হয়েছে, বর্তমান উপাচার্যকে অবিলম্বে এসআরএফটিআই–এর অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অপসারণ করতে হবে। এমন এক জন পুরো সময়ের উপাচার্যকে এসআরএফটিআই–তে নিয়োগ করতে হবে, যাঁর চলচ্চিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতা আছে এবং যিনি ফিল্ম ইনস্টিটিউটের কাজের পরিবেশ বোঝেন। নতুন উপাচার্যকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খোলা মনে আলোচনা করতে হবে। প্রথমে ২৭ সেপ্টেম্বর ও তার পরে ৪ অক্টোবর ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে, এমনটাও দাবি করা হয়েছে ছাত্র সংসদের তরফে।
আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, ৪ অক্টোবর ক্যাম্পাসের ভিতরে ও বাইরের ঘটনার বিষয়ে আগে থেকে জানা সত্ত্বেও পুলিশ মোতায়েনের ব্যবস্থাই করেননি এসআরএফটিআই কর্তৃপক্ষ। তাঁরা শুধু জানান, পড়ুয়াদের হস্টেলে থাকতে হবে। কর্তৃপক্ষের তরফে পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে হামলাকারী সংগঠনগুলির (এবিজিপি এবং হিন্দু জাগরণ মঞ্চ) নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের আরও অভিযোগ, উপাচার্য শুধু তাঁর পছন্দ মতো ‘মেধাবী’ শিক্ষার্থীদের সঙ্গেই কথা বলতে চান। অবস্থান–বিক্ষোভ নিয়ে উপাচার্য আগেই বলেছেন, ‘পড়ুয়াদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হয়েছে। ওদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছি। তার পরেও অযথা আন্দোলন করে যাচ্ছে।’