ডেস্ক রিপোর্ট : জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল আর মাত্র দুই উইকেট। অন্যদিকে আফগানিস্তানের লক্ষ্য ছিল উইকেট আগলে রেখে ম্যাচ ড্র করা।
শেষ দিনের এই স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় অধরাই থেকে গেছে বাংলাদেশের। ১৪২ ওভার ব্যাট করে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান তুলে একমাত্র টেস্ট ড্র করেছে আফগানিস্তান।
তবে ম্যাচের শেষ দিকে কায়েস আহমদের চোট নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৩২ রান করেছিল আফগানিস্তান।
শেষ দিনে বাংলাদেশের জয়ের আশা আরও বাড়িয়ে দেন বোলাররা। ৩৩২ বলে ১১১ রান করে সেদিকউল্লাহ অটল ফিরলে আফগানদের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ২৮১ রান।
তখনো জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ছিল ১৯৮ রান, বাংলাদেশের হাতে ছিল ২৩ ওভার।
অটল ফেরার পর ম্যাচ বাঁচানোর লড়াইয়ে নামেন কায়েস আহমদ। শেষ দিকে হ্যামস্ট্রিংয়ে অস্বস্তির কথা জানিয়ে মাঠে শুয়ে পড়েন তিনি। পরে উঠে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায় তাঁকে। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে খেলা বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
ঘটনাটি ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গুলবাদিন নাইবকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কও মনে করিয়ে দেয়। তবে কায়েসের চোট সত্যি ছিল কি না, তা নিশ্চিত নয়।
প্রায় পাঁচ মিনিট পর আবার ব্যাটিং শুরু করেন কায়েস। এরপর ৮০ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৪৯ রান করেন তিনি। শেষ ওভারে তাইজুল ইসলামের বলে পরপর ছক্কা হাঁকিয়ে আফগানিস্তানের ড্র নিশ্চিত করার পথ আরও সহজ করেন এই ব্যাটার।
বড় লক্ষ্য দিয়েও শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। অন্যদিকে কঠিন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করে ম্যাচ বাঁচানো আফগানিস্তানের কাছে এই ড্র প্রায় জয়ের সমান। তবে শেষবেলার কায়েসের চোটের ঘটনা ম্যাচের ফলের পাশাপাশি আলাদা আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
