বাংলাদেশে এলপিপির সরবরাহকারী ৩৫০ ছাড়াল
বার্ষিক চুক্তি ৭৫০ মিলিয়ন ডলার
চ্যানেল আই অনলাইনপ্রকাশ:
অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন
দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে পোল্যান্ডভিত্তিক ফ্যাশন রিটেইলার এলপিপি। এক দশক আগে বাংলাদেশে প্রায় ১০০টি পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করলেও বর্তমানে এ সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এলপিপির বার্ষিক চুক্তির মূল্য প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রোববার ১১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশি পোশাক প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সহযোগিতা এলপিপির ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির বড় ও বৈচিত্র্যময় ক্রয়াদেশের ফলে সরবরাহকারীরাও প্রযুক্তি, দক্ষতা ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছে।
এলপিপির পারচেজিং ডিরেক্টর জোয়ানা সিকোরস্কা বলেন, বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির প্রবৃদ্ধি সবসময় সরবরাহকারীদের উন্নয়নের সঙ্গে সমানতালে এগিয়েছে। ব্যবসার পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বড় ও বৈচিত্র্যময় ক্রয়াদেশ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ করেছে। এতে উভয় পক্ষের একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বাজার ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন তিনি। এ সময়ে ছোট কারখানাগুলোকে বড় ও আধুনিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে দেখেছেন। এসব প্রতিষ্ঠানে এখন হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। আবার ছোট ক্রয়াদেশ দিয়ে শুরু হওয়া ব্যবসায়িক সম্পর্কও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে রূপ নিয়েছে।
জোয়ানা সিকোরস্কার মতে, এ ধরনের আস্থা একদিনে তৈরি হয় না। বছরের পর বছর সহযোগিতা ও পারস্পরিক নির্ভরতার মধ্য দিয়ে তা গড়ে ওঠে।
বর্তমানে বিশ্বের ৪৭টি বাজারে ৪ হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এলপিপি। প্রতিষ্ঠানটির তৈরি পোশাক সংগ্রহের বাজারগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের সঙ্গে গড়ে ওঠা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ককে নিজেদের প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।
জোয়ানা সিকোরস্কা বলেন, সরবরাহকারীদের শুধু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে এলপিপি। ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি উভয় প্রতিষ্ঠানের এবং বাংলাদেশ ও পোল্যান্ডের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা তৈরিতে আগ্রহী তারা।
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…
