অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলামকে আটকে রেখে মারধর করছেন স্থানীয়রা। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
-->সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে (১৬) বলাৎকারের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলামকে (৫৩) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে, সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার মছলম উদ্দিন একাডেমি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার এনামুল ইসলাম কানাইঘাট উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মছলম উদ্দিন একাডেমির প্রধান শিক্ষক। সোমবার ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে আটকে রাখেন এবং মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
এদিকে, গ্রেপ্তারের আগে স্থানীয় কয়েকজন ওই শিক্ষককে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কক্ষে মারধর করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন
স্থানীয়রা জানান, ওই ছাত্রকে গত ৭ অক্টোবর স্কুলের প্রধান শিক্ষক রুমে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতা এবং স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক এনামুল হককে লাঞ্ছিত করে এবং স্কুলের অফিস কক্ষে আটকে রাখে।
মামলার বাদী ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা দাবি করেন, তার ছেলেকে চার মাস ধরে বলাৎকার করে আসছিল শিক্ষক এনামুল হক। বিষয়টি জানার পর তিনি তার ছেলের সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং থানায় মামলা করেন।
আরও পড়ুন
তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই। পাশাপাশি আমার ছেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।’
গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছবেদ আলী বলেন, ‘মছলম উদ্দিন একাডেমির প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলামকে বলাৎকারের অভিযোগে স্থানীয়রা আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা মামলা করেছেন। মঙ্গলবার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
সালমান/
