সংবাদ · সাধারণ
১৫-১৬ অক্টোবর বন্ধ থাকবে এলপিজি বিক্রি
১২/১০/২০২৬

দাবি না মানলে অনির্দিষ্টকালের কঠোর ধর্মঘটের হুশিয়ারি এলপিজি ব্যবসায়ীদেরপ্রশাসনের ‘অযৌক্তিক’ জরিমানা ও হয়রানি বন্ধের জোর দাবি পরিবেশকদেরঅব্যবহৃত সিলিন্ডার বাজারে ছেড়ে গ্যাস সংকট নিরসনের আহ্বানআইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘হয়রানি’ বন্ধ, কমিশন পুনর্নির্ধারণ এবং বাজারে পড়ে থাকা অব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার পুনরায় চালুর দাবিতে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারাদেশে সব ধরনের এলপিজি গ্যাসের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন পরিবেশকেরা।সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সেলিম খান।তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, দুই দিনের এই টানা কর্মসূচির পরও যদি তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা না হয়, তবে পরবর্তীতে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।সংবাদ সম্মেলনে সেলিম খান বিদ্যমান সংকট তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে মাত্র ছয় থেকে সাতটি কোম্পানি বাজারে সক্রিয় রয়েছে। এর ফলে সারাদেশজুড়ে প্রায় কয়েক লাখ গ্যাস সিলিন্ডার একেবারে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।তিনি সরকার বা সংশ্লিষ্ট এলপিজি কোম্পানিগুলোকে দ্রুত এসব সিলিন্ডারে গ্যাস ভরে ডিলারদের মাধ্যমে বাজারে সরবরাহের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান, যেন সাধারণ ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে গ্যাস কিনতে পারেন।পরিবেশকদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) প্রতি মাসে এলপিজির মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হয়, বিইআরসি দাম ঘোষণার পর কোম্পানিগুলো যেন নিজেদের ইচ্ছামতো নতুন করে দাম পরিবর্তন করতে না পারে। পরবর্তীতে দাম সমন্বয়ের কোনো প্রয়োজন হলে তা নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম মেনেই সম্পন্ন করতে হবে।এছাড়া বাজারে অকেজো হয়ে পড়ে থাকা হাজার হাজার অব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডার দ্রুত পুনরায় চালুর জোর দাবি জানিয়েছে সমিতি। তারা অভিযোগ করেন, অনেক কোম্পানি ইতিমধ্যে তাদের সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে এবং কিছু কোম্পানি এলপিজি আমদানির জন্য ব্যাংক ঋণপত্র বা এলসি খুলতে পারছে না। একই সাথে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের ওপর চালানো অযৌক্তিক জরিমানা ও অহেতুক হয়রানির বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন একটি বিষয় উল্লেখ করে সেলিম খান জানান, অনুষ্ঠান চলাকালেই বিইআরসির চেয়ারম্যান তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছেন। এ সময় চেয়ারম্যান আশ্বাস দিয়ে জানান, কমিশন ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত সবকটি দাবি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে এবং খুব দ্রুত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗