Published on
:
1 min read
আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেল NCB। শুক্রবার অসম, মিজোরাম ও মণিপুরের ৩৮টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ‘অপারেশন ট্রাইডেন্ট’ নামে এই অভিযানে প্রায় ১০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক হাওয়ালা লেনদেনের হদিস মিলেছে বলে দাবি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৮ জনকে। উদ্ধার হয়েছে নগদ ও বিপুল বিস্ফোরক।
দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পরে শুক্রবার ভোরে অভিযান শুরু করে NCB। তাদের সঙ্গে ছিল মিজোরাম পুলিশ, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এবং অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা। যৌথ তদন্তকারী দল একযোগে মিজোরামের আইজল, চম্পাই ও জোখাওথার, মণিপুরের চূড়াচাঁদপুর এবং অসমের কাছাড়ে হানা দেয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভারত-মায়ানমার-বাংলাদেশ করিডর দিয়ে মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত একটি আন্তর্জাতিক চক্রের বিরুদ্ধে এই অভিযান চালানো হয়েছে।
মায়ানমারের বাসিন্দা থাংচিনতুয়াং ওরফে চিনতুয়াংকে আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের মাথা বলে দাবি করেছে NCB। দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা। তাঁর বিরুদ্ধে ১০টিরও বেশি মামলা রয়েছে বলে দাবি। অভিযোগ, মায়ানমার থেকে মেথামফেটামিন ও হেরোইন মিজোরাম, মণিপুর, অসম ও ত্রিপুরা হয়ে ভারতের অন্যান্য অংশে পাচার করত তাঁর দল। পাঠানো হতো বাংলাদেশেও।
এর আগে ২০২৪-এ লালরামপারি নামে আর এক মাদক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই চিনতুয়াংয়ের হদিশ মেলে বলে দাবি। তল্লাশিতে চিনতুয়াং-সহ মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১৭.৮২ কোটি টাকার সম্পত্তি। উদ্ধার হয়েছে ৫০০টি ডিটোনেটর এবং নগদ ১২ লক্ষ টাকা।
অপারেশন ট্রাইডেন্টের প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিন রাজ্যের পুলিশ বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘অসম, মিজোরাম ও মণিপুরের ৩৮টি জায়গায় একযোগে অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রকে উৎখাত করা হয়েছে।’ অপারেশন ট্রাইডেন্টকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াও। তিনি বলেন, ‘উত্তর-পূর্ব ভারত দিয়ে আর নিষিদ্ধ মাদক ও অন্যান্য বেআইনি পণ্য পাচার করা যাবে না।’
