নেপালে পালিয়েছেন লখনউয়ের ক্যাফে মালিক শিবা শর্মার লিভ ইন সঙ্গী? গত ৯ অক্টোবর হজরতগঞ্জে একটি আবাসনের ছাদ থেকে পড়ে শিবার মৃত্যুর ঘটনার পর থেকে পলাতক লিভ ইন সঙ্গী তথা মডেল শ্রদ্ধা দুবে। পুলিশের সন্দেহ, নেপালে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। তাঁর খোঁজে কয়েকটি দল গঠন করে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
রায়বরেলীর বাসিন্দা শ্রদ্ধা। তিনি বিবাহিতা। এক কন্যাসন্তানও আছে। ২০২২ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয় শ্রদ্ধার। তার পর থেকে তিনি হজরতগঞ্জে একটি আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। তাঁর একটি বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে। ‘বেস্ট ফেস অফ লখনউ’ সম্মান পেয়েছেন শ্রদ্ধা। একটি মডেলিং শো-এর আয়োজনও করেছিলেন তিনি। হায়দরাবাদে তাঁর চাকরিজীবন শুরু। স্নাতকোত্তরের পাশাপাশি তিনি পিজিডিসিএ-ও করেন। তার পর ফ্যাশন ব্লগিং শুরু করেন।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, শ্রদ্ধার মোবাইলের শেষ লোকেশন পাওয়া গিয়েছে নেপাল সীমান্তের কাছে বহরাইচে। সেই সূত্রেই পুলিশের সন্দেহ, বোন রশ্মিকে সঙ্গে নিয়ে নেপালে পালিয়ে থাকতে পারেন শ্রদ্ধা। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, শিবার সঙ্গে একটি নৈশক্লাবে পরিচয় হয় শ্রদ্ধার। তার পর ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। গত চার মাস ধরে শিবার সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন শ্রদ্ধা।
আরও পড়ুন:
শিবার মৃত্যুতে দুষ্কৃতী-যোগেরও সন্দেহ করছেন তদন্তকারীরা। এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী ঋষভ রাই তোলাবাজির টাকা চেয়ে শিবাকে হুমকি দিতেন বলে তাঁর মায়ের অভিযোগ। এক লক্ষ টাকা দাবি করে লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ঋষভের সঙ্গে শ্রদ্ধার কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শিবার মৃত্যুতেও ঋষভের কোনও হাত থাকতে পারে বলেও সন্দেহ করছেন তদন্তকারীরা। তবে তদন্তকারী এক সূত্রের খবর, শ্রদ্ধাকে ধরতে পারলেই শিবার মৃত্যুরহস্যের উন্মোচন হবে। কিন্তু ঘটনার পর থেকে শ্রদ্ধার কোনও হদিস পাচ্ছে না পুলিশ।
গত ৯ অক্টোবর চারতলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় ক্যাফে মালিক তথা শ্রদ্ধার লিভ ইন সঙ্গী শিবার। কিন্তু তাঁর মায়ের অভিযোগ, শিবাকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে শ্রদ্ধার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে যৌনবর্ধক ওষুধ, সেক্সটয়-সহ বেশ কিছু জিনিস উদ্ধার হওয়ায় তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও বেড়েছে।
