Published on
:
1 min read
ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার পরে বেশ কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। সম্প্রতি, একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর জীবনের কঠিন সময়ের কথা উল্লেখ করেছেন প্রীতি সপ্রু। প্রীতি জানান, পরিচালকদের দাবি না মানায় কী ভাবে তাঁকে বিপদের মুখে পড়তে হয়েছিল? এমনকী, ক্যামিও চরিত্র বা গেস্ট অ্যাপিয়ারেন্সে নামিয়ে আনা হয়েছিল।
১৯৮৪ সালের ‘জাগির’ ছবির শুটিং চলাকালীন পরিচালক তাঁকে বলেছিলেন খাবার পরিবেশন করতে। তবে প্রীতি কিছুতেই রাজি হননি এই কাজ করতে। যা শুনেই সিনেমা থেকে প্রীতির নাম বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন পরিচালক। শুধু তাই নয়, প্রীতি অনুরোধ করেছিলেন যদি তাঁর নাম অন্তত অতিথি হিসেবেও দেওয়া যায়, তবে তিনি তাতেও রাজি। পরিচালক অবশ্য জানিয়ে দিয়েছিলেন এই সিনেমায় জ়িনাত আমানকে এই মর্যাদা দিতে হবে, তাই কোনও ভাবেই এটা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন পরিচালক।
প্রীতি দাবি করেছিলেন, পরের দিন তাঁর ভূমিকা অনেকাংশে কমিয়ে দেওয়া হয় এবং তাঁকে অভিনেতা অমরীশ পুরীর পিছনে দাঁড় করানো হয়। চিত্রনাট্য শোনানোর সময়ে তাঁকে যে ভূমিকার কথা বলা হয়েছিল, তা ছিল একেবারে আলাদা।
পরের দিন অমরীশ পুরির পিছনে দাঁড় করানো হয়েছিল প্রীতিকে। যা দেখে প্রতিবাদ করে অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘স্যর, আপনি আমায় যে চরিত্রটির গল্প শুনিয়েছিলেন, এখন আমাকে যা করতে বলা হচ্ছে সেটা সম্পূর্ণ আলাদা।’
‘অবতার’-এর শুটিংয়ে রাজেশ খান্না ও শাবানা আজ়মিকে নাম সম্বোধন করলেও তাঁকে পাত্তা দিতেন না সে ভাবে। তবে যত কঠিন সময়ই আসুক না কেন, আত্মসম্মানের সঙ্গে আপস করতে নারাজ বলি-অভিনেত্রী।
