নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সড়কের পাশ থেকে চর কিশোরগঞ্জ বালুরঘাট এলাকার একটি মাদ্রাসার কাছ থেকে বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে জহির ফকির (৫০) নামের এক স্থানীয় যুবদল নেতাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।
নিহত জহির ফকির নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খালিয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা হলেও তিনি সোনারগাঁয়ের চর কিশোরগঞ্জের বালুরঘাট এলাকায় বসবাস করতেন। দলীয় অঙ্গনে তিনি আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এবং আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের এক নম্বর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
কীভাবে এবং কী কারণে ওই যুবদল নেতা সড়কের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আকস্মিক এই মৃত্যুর পেছনে কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বা অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, জহির ফকিরকে গুরুতর ও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো উদঘাটিত হয়নি। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করতে মরদেহটি মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, এই আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় নিহতের পরিবার এবং স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
