ফেসবুকে এসিল্যান্ডের পোস্ট: ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী হবেন’
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে এসিল্যান্ডের (সহকারী কমিশনার-ভূমি) এক ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে তিনি ফেসবুকে লেখেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রানী মোদক (ইউএনও) দায়ী হবেন’। আরেকটি পোস্টে লেখেন, ‘আই রিজাইন ফ্রম এডমিন ক্যাডার’- অর্থাৎ আমি এডমিন ক্যাডার থেকে রিজাইন করছি। এমন পোস্টের পর অনেকেই তার বাসায় ছুটে যান। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রানী মোদক জানিয়েছেন, এসিল্যান্ড আরিফুর রহমান মানসিকভাবে অসুস্থ।
জানা যায়, আরিফুর রহমান গত দুই মাস ধরে জামালগঞ্জে এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে উপজেলা সদরে বসবাস করেন।
ইউএনও শিল্পী রানী মোদক জানান, শুক্রবার তার তিন বছর বয়সী মেয়ের জন্মদিন ছিল। ওইদিন রাতে আরিফুর রহমান স্ত্রীসহ তার বাসায় জন্মদিনের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। বাসা থেকে বের হওয়ার পরই এসিল্যান্ড ফেসবুকে পোস্ট দেন। এরপর পুলিশসহ অনেকেই এসিল্যান্ডের বাসায় যান। সেখানে গিয়ে তাকে অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখেন। তখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকও আসেন। তাকে ওষুধ দেওয়ার পরও তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। তখন তার স্ত্রী আরিফুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
আরও পড়ুন
ইউএনও জানান, ঘটনার দিন রাতে এসিল্যান্ড একজন আনসার সদস্যকে মারধর করেন। রাস্তায় যাকেই পেয়েছেন তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন।
জামালগঞ্জ থানার ওসি বন্দে আলী মিয়া জানান, ফেসবুকের পোস্ট দেখে তিনি এসিল্যান্ডের বাসায় যান। এরপর উনার স্ত্রীর কথা মতো ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। কিন্তু তার পরও কাজ হয়নি। রাত ১টার দিকে তাকে সিলেটে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন
ইউএনও শিল্পী রানী মোদক জানান, ফেসবুক পোস্টে কেন তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
আরও পড়ুন
চাঁদপুরে মা ইলিশ শিকারের দায়ে গ্রেপ্তার ২০ জেলে
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে ২০ জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। এ ছাড়া পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল ও অস্থায়ী আড়ৎ থেকে মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতলব উত্তর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে।
মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় গত ২৪ ঘণ্টায় মতলব উত্তর উপজেলা টাস্কফোর্স পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। এর মধ্যে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল মোহনপুর ইউনিয়নের নাসিরার চর ও বাংলাবাজার সংলগ্ন মেঘনার শাখা নদীতে অভিযান চালায়। এ সময় নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, চায়না দুয়ারী ও মশারি জাল ব্যবহার করে মাছ শিকারের সময় ২০ জেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন
অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৬০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, ৮০ মিটার চায়না রিং জাল এবং ৫০ মিটার মশারি জাল উদ্ধার করা হয়।
মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) রুহুল আমিন জানান, গ্রেপ্তার জেলেদের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে পৃথক ছয়টি মামলা করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন
এদিকে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে জানান, শনিবার সকালে মতলব উত্তর থানা-পুলিশের সহযোগিতায় মোহনপুর ও নয়কান্দি মেঘনা উপকূলীয় এলাকার অস্থায়ী মাছের আড়তে অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে বিকেলে বোরচর এলাকায় নৌপুলিশের সহযোগিতায় অন্য এক অভিযানে ৪০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা ইলিশ দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
ফয়েজ/এএফ
আরও পড়ুন
বুড়ির বাঁধে মাছ শিকার উৎসবে মেতেছে ঠাকুরগাঁওবাসী
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ও চিলারং ইউনিয়নের সীমান্ত ঘেঁষে বয়ে যাওয়া শুক নদীর ‘বুড়ির বাঁধে’ ঐতিহ্যবাহী মাছ শিকার উৎসবে মেতেছে হাজারো মানুষ। প্রতিবছরের মতো শীতের শুরুতে বাঁধের পানি ছেড়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য মাছ শিকার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। বছরের পর বছর ধরে শীতের আগমনীতে এই মিলনমেলা উদযাপিত হয়ে আসছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে বুড়ির বাঁধের পাঁচটি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়। বাঁধের পানি কমতে থাকলে শনিবার ভোর থেকেই মাছ ধরতে নামেন আশপাশের কয়েক গ্রামের বাসিন্দাসহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাছ ধরার উৎসবে শামিল হতে আকচা ও চিলারং এলাকার বুড়ির বাঁধ প্রাঙ্গণে ভোর থেকেই একত্রিত হন নারী, পুরুষ ও শিশুসহ সব বয়সের মানুষ। কারও হাতে খেওড়া জাল, কারও হাতে পলো, আবার কেউ বা কোচ (খোঁচা) ও লাফি জাল নিয়ে নদীতে নেমে পড়েন। যাদের মাছ ধরার সরঞ্জাম ছিল না, তারাও শখে কাঁদা-পানিতে নেমে হাত দিয়েই মাছ খোঁজা শুরু করেন।
আরও পড়ুন
স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত মাছ ধরেছি। পুঁটি ও টেংরাসহ প্রায় কেজি দুয়েক মাছ পেয়েছি। মূলত আনন্দ-উল্লাসের জন্যই প্রতি বছর শখ করে এখানে মাছ ধরতে আসি।’
তবে মাছ ধরতে আসা জেলেদের অনেকে জানান, আগের তুলনায় এখন বিলে মাছের দেখা মিলছে কম। রিং জাল ও কারেন্ট জালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে দেশীয় প্রজাতির মাছ কমে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।
আরও পড়ুন
ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ১৯৫১-৫২ সালে শুষ্ক মৌসুমে এ অঞ্চলের কৃষি জমিতে সেচ সুবিধার জন্য শুক নদীতে এই জলকপাটটি নির্মাণ করা হয়, যা পরবর্তীতে ‘বুড়ির বাঁধ’ নামে পরিচিতি পায়। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে উঁচু জমিতে সেচ সুবিধার জন্য এখানে পানি আটকে রাখা হয়। স্থানীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে সে পানিতে ছাড়া হয় নানা জাতের পোনা মাছ, যা দেখভাল করে আকচা ও চিলারং ইউনিয়ন পরিষদ। আর শীতের শুরুতেই বাঁধের পানি অপসারণের পর শুরু হয় এই উন্মুক্ত মাছ শিকারের উৎসব।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান জানান, বুড়ির বাঁধ সেচ প্রকল্পের সামনে একটি মৎস্য অভয়াশ্রম রয়েছে। বর্ষায় আটকে রাখা পানিতে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয় এবং শীতের শুরুতে বাঁধ ছেড়ে দেওয়ার পর সর্বসাধারণের জন্য মাছ শিকার উন্মুক্ত করা হয়।
বিধান/এএফ
আরও পড়ুন
নরসিংদীতে গ্রিল কেটে বাড়িতে চুরি, ৮ ভরি স্বর্ণালংকারসহ ৫০ লাখ টাকা লুট
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নরসিংদী শহরের সেবাসংঘ এলাকায় একটি ফ্ল্যাটের জানালার গ্রিল কেটে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ লাখ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে নরেশ চন্দ্র সাহার সাততলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে। দুর্গাপূজা উদ্যাপন করতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার সুযোগে এ চুরি হয়েছে বলে ধারণা করছেন ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নরসিংদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সুখন চৌধুরী।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর আল মামুন খবরের কাগজকে বলেন, ফ্ল্যাটে চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত না, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্তপূর্ব আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভুক্তভোগী সুখন চৌধুরী (৫১) নরসিংদী সদর উপজেলার শেখেরচরের ইভা ডাইংয়ে রং মাস্টার হিসেবে কাজ করেন। তিনি নেত্রকোনার বারহাট্টা থানার গুহিয়ালা গ্রামের মতীন্দ্র চৌধুরীর ছেলে। গত পাঁচ বছর ধরে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে সেবাসংঘ এলাকার ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন তিনি।
আরও পড়ুন
সুখন চৌধুরী ও তার স্ত্রী পূরবী পণ্ডিত সাংবাদিকদের জানান, স্বজনদের সঙ্গে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করতে রোববার দুপুরে ফ্ল্যাটে তালা দিয়ে তারা গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার বারহাট্টার গুহিয়ালায় যান। পূজা উদ্যাপন শেষে শুক্রবার রাত আটটার দিকে নরসিংদীর বাসায় ফিরে দেখেন, ফ্ল্যাটের দরজা খুলতে পারছেন না তারা। তালা কাটার পরও দরজা খুলতে না পারায় তাদের সন্দেহ হয়।
পরে ভবনের পেছনের দিকে গিয়ে সুখন চৌধুরী দেখতে পান, জানালার গ্রিল কাটা। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই গ্রিল দিয়ে ফ্ল্যাটের ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর ভেতর থেকে দরজা খুলে দেখতে পান, ঘরের আসবাবপত্র ও জামাকাপড় এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। আলমারিও ভাঙা। আলমারিতে রাখা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা খুঁজে পাননি তারা।
আরও পড়ুন
সুখন চৌধুরী বলেন, ‘গ্রামের বাড়ির জমি বিক্রি করে একটি ডাইং কারখানা করার জন্য ৫০ লাখ টাকা এনে বাসায় রেখেছিলাম। ডাইং কারখানা কেনার কথাবার্তাও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। স্ত্রীর গয়নাগুলোও সেখানে ছিল। গত ছয় দিন আমরা বাসায় ছিলাম না। এই সুযোগে কোনো এক সময় চোরেরা এসব নিয়ে গেছে। একটি ডাইং কারখানা করার স্বপ্ন ছিল সারা জীবনের। চোরেরা আমার সেই স্বপ্নটাই চুরি করে নিয়ে গেছে।’
শাওন খন্দকার শাহিন/এসএন
আরও পড়ুন
গোপালগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে গলিত মরদেহ উদ্ধার
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->গোপালগঞ্জ শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে শেফালী বেগম (৪০) নামের এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহরের তেঘরিয়া কালী মন্দির সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শেফালী বেগম ওই এলাকার শাহীন মিয়ার সাবেক স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত নারী তেঘরিয়া কালী মন্দিরের পাশের একটি বাসায় ছেলে ও ছেলের স্ত্রীর সঙ্গে থাকতেন। ৬-৭ মাস আগে স্বামীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি তার পুত্রবধূ বাবার বাড়ি যান এবং ছেলেও বাইরে ছিলেন। ফলে তিনি ঘরে একাই ছিলেন। শনিবার বাসায় ফিরে ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে দেখে ছেলে বিষয়টি প্রতিবেশীদের জানান।
আরও পড়ুন
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালাবদ্ধ ঘরের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাইম হায়দার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধারণা করা হচ্ছে বেশ কয়েক দিন আগেই ওই নারী মারা গেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
বাদল/এএফ
