Published on
:
1 min read
এই সময়: প্রতিমা বিসর্জনের পরে কোনও ভাবেই জলে কাঠামো পড়ে থাকতে দেওয়া যাবে না বলে বিসর্জনের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার সংস্থাগুলিকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা পুরসভা। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দ্রুত সব সরিয়ে ফেলতে হবে।
এ বার পুজোয় কলকাতা পুরসভার স্লোগান — ‘স্বচ্ছতার সঙ্গে মাকে স্বাগত জানাই।’ তাই পরিচ্ছন্নতা নিয়ে যাতে তাদের দিকে আঙুল না–ওঠে, সে জন্য আগেভাগেই বেশ কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে পুরসভা।
কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিসর্জনে এ বছর সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জলের দূষণ রোধে। প্রতিমার গায়ে ব্যবহৃত রাসায়নির মিশ্রিত রং থেকে নদী ও জলায়শের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। সে কারণে দ্রুত কাঠামো তোলার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। ঘাটগুলির পরিচ্ছন্নতা রাখতেও বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পুরসভা।
সংশ্লিষ্ট কাজের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ফুল, বেলপাতা, মালা ইত্যাদি যাতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে না থাকে, সে জন্য দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দশমী থেকে লক্ষ্মীর পুজোর আগের রাত পর্যন্ত দফায় দফায় বিসর্জন হবে। সব মিলিয়ে গড়ে হুগলি নদীর বিভিন্ন ঘাটে সাড়ে তিন হাজারের মতো প্রতিমার বিসর্জন হয় বলে পুরসভা সূত্রের খবর। দশমীর রাতেই অধিকাংশ বিসর্জন হয়ে যায়। বাগবাজারে মায়ের ঘাট থেকে জাজেস ঘাট পর্যন্ত হুগলি নদীর ১৮টি ঘাটে বিসর্জন হয়। এ ছাড়া শহরজুড়ে বিভিন্ন জলাশয়েও বিসর্জনের ব্যবস্থা করা হয় পুরসভার তরফে।
