ককরোচ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত কয়েকমাসে দফায় দফায় অশান্ত হয়েছে দিল্লি। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পর এবার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে তাঁরা। আন্দোলনকারী তরুণ প্রজন্মকে রুখতে মরিয়া কেন্দ্রও। বারবার দাবি করা হয়েছে, এর নেপথ্যে বিদেশি শক্তি। নাহিদ ইসলাম ককরোচদের সমর্থন করায় সরাসরি আন্দোলনে মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। সোমবার তা নিয়েই মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “বিদেশি ফান্ডিংয়ের রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলেই ওরা ভয় পাচ্ছেন।”
দিলীপ ঘোষ বলেন, “এই যে ভারতকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে তাঁর পিছনে যে বিদেশি শক্তি রয়েছে, একথা তো বারবার বলা হচ্ছে। বিদেশ থেকে মদত দেওয়া হচ্ছে। তবে ফান্ডিংয়ের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে ওরা আরও ভয় পেয়েছে।”
ভারতের জেন জি বিক্ষোভের পাশে দাঁড়িয়েছে একাধিক দেশ। তালিকায় রয়েছে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশও। গত কয়েকদিনে এই ককরোচ আন্দোলনকে সমর্থন করে একাধিক পোস্ট করা হয়েছে সে দেশে। সেই তালিকায় রয়েছেন নাহিদ ইসলামও। বছর দুই আগে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে শামিল হয়েছিলেন তিনি। তারপর তাঁর মুখে হাজারও ভারত-বিরোধী মন্তব্য শোনা গিয়েছে। এমনকী শিলিগুড়ি সীমান্তে ‘চিকেনস নেক’ নাকি বাংলাদেশ কেড়ে নেবে বলেও হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ নির্বাচনে লড়ে অন্যতম বিরোধী নেতা হয়ে ওঠেন। এবার তিনি ভারতের ছাত্রদের আন্দোলনকে বিশেষত ‘ককরোচ’দের জোরাল সমর্থন জানিয়েছেন। তাতেই অভিযোগ উঠছে যে, এই আন্দোলনে মদত দিচ্ছে তারেকের দেশও। সোমবার সে নিয়েই প্রশ্ন করা হয় দিলীপ ঘোষকে। জবাবে মন্ত্রী বলেন, “এই যে ভারতকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে তাঁর পিছনে যে বিদেশি শক্তি রয়েছে, একথা তো বারবার বলা হচ্ছে। বিদেশ থেকে মদত দেওয়া হচ্ছে। তবে ফান্ডিংয়ের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে ওরা আরও ভয় পেয়েছে।”
উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে প্রথম পথে নেমেছিল ককরোচরা। ন্যায্য দাবির সামনে যে সরকারকেও ঝুঁকতে হয় তা প্রমাণ করে দিয়েছে তাঁরা। লাগাতার ছাত্র বিক্ষোভে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। পরবর্তীকালে আরও একাধিক ইস্যুতে সরব হয়েছিল ককরোচরা। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের ডাক দেন তাঁরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্নার ঠিক আগেই গ্রেপ্তার করা হয় অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস-সহ বহু সিজেপি নেতাকে। বাড়িতে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ইনফ্লুয়েন্সর ধ্রুব রাঠিকে।
