দেশজুড়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু, চলতি অর্থবছরে কার্ড ও ভাতা পাবেন ৪০ লাখ নারীপ্রধান
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ০৯:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেজ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে সারা দেশে একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তথ্য যাচাই শেষে প্রক্সি মিন্স টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর ) তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এ সময় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী জানান, নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। পাইলট প্রকল্পে দেশের আট বিভাগের ৪৪ জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পিএমটি স্কোরের ভিত্তিতে নির্বাচিত ৭১ হাজার ৮৩১ জনকে কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ কর্মসূচির জন্য ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভাতা বাবদ ব্যয় হবে।
‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ অনুযায়ী, পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করা হবে—অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। মন্ত্রী বলেন, সব নারী পরিবারপ্রধান কার্ড পাবেন। তবে পিএমটি স্কোর ৮৬০ বা তার কম পাওয়া এবং নির্ধারিত শ্রেণির যোগ্য পরিবারগুলো ভাতা পাবে।
দেশজুড়ে তথ্য সংগ্রহে ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত হয়েছেন। তাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ট্যাবলেট ও মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করবেন। সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেজে যুক্ত হবে।
চলতি অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী তিন অর্থবছরে যোগ্য সব নারী পরিবারপ্রধানকে কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি থাকবে। সরকারের অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কার্ডের মাধ্যমে এটিএম বুথ, পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের মাধ্যমে ভাতার টাকা তোলার সুবিধা থাকবে।

