জিততে হলে রীতিমত রেকর্ড গড়তে হবে। আফগানিস্তান কী সেই রেকর্ড গড়তে পারবে? আপাতত জয়ের জন্য ৪৭৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ ইনিংসে দারুন লড়াই করছে আফগানরা। সেদিকুল্লাহ অটলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বড় স্বপ্ন দেখছে তারা। ১৬৬ বল খেলে হাফ সেঞ্চুরি করার পর ২৭৭ বলে সেঞ্চুরি করেন ঘরে পৌঁছান তিনি।
তবে সেদিকুল্লাহ সেঞ্চুরি করে একপ্রান্ত আগলে রাখলেও অন্যপ্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ছে আফগানদের। এবার তাদের ৬ষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটালেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আহত অবস্থা থেকে মাঠে ফিরে আসা হাসমতউল্লাহ শহিদিকে মিড অনে হাসান মাহমুদের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। ৬৯ বলে ৩৬ রান করে আউট হন তিনি।
বিজ্ঞাপন
এ রিপোর্ট লেখার সময় আফগানিস্তানের রান ১০৬.৪ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬৫। ১০৫ রান নিয়ে ব্যাট করছেন সেদিকুল্লাহ অটল। তার সঙ্গে ব্যাট করছেন শূন্য রান নিয়ে ইয়ামিন আহমদজাই। এখনও আফগানদের প্রয়োজন ২১৪ রান।
এর আগে যখন সেদিকুল্লাহ অটল সেঞ্চুরি করলেন, তখন অন্যদিকে তার সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়া ইসমত আলমকে আউট করেন স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। ৬০ বল খেলে মাত্র ৪ রান করেছেন ইসমত। তার আগে ইকরাম আলিখিলকে নিয়ে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সেদিকুল্লাহ অটল। শেষ পর্যন্ত ৪৬ রান করা এই জুটিতে ভাঙন ধরান এবাদত হোসেন।
বিজ্ঞাপন
দলীয় ২০২ রানের মাথায় ইকরামকে আউট করেন এবাদত হোসেন। তবে এই উইকেট পড়ার পেছনে বড় কৃতিত্ব লিটন দাসের। আবুধাবি টেস্টে যেন কোনো ভুলই করছেন না তিনি। ইকরামের দুর্দান্ত ক্যাচ ধরলেন।
কোমর বরাবর শর্ট বল করেছিলেন এবাদত। পুল করতে গিয়ে গ্লাভসে লাগিয়ে ফেলেন ইকরাম আলিখিল। বলটি লিটনের ডান দিকে যাচ্ছিল। তবে ডান দিকে শরীর ছুড়ে দিয়ে প্রায় মাটির সমান্তরালে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্তভাবে ক্যাচটি তালুবন্দী করেন তিনি। ৬৯ বল খেলে ৩৩ রান করে ফিরে যান ইকরাম।
৪৭৯ রানের লক্ষ্যে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করছে আফগানিস্তান। চতুর্থ দিন বিকেলেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান তোলে আফগানিস্তান। সেদিকুল্লাহ অটল ৩৫ রানে এবং হাসমতউল্লাহ শহিদি ব্যাট করছিলেন ১৯ রানে।
বিজ্ঞাপন
আজ পঞ্চম দিন সকালে ব্যাট করতে নেমে দিনের তৃতীয় ওভারেই ইনজুরিতে পড়ে যান আফগান ব্যাটার হাশমতউল্লাহ শহিদি। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ব্যাট করে এক রান নিতে যান সেদিকুল্লাহ অটল। সিলি মিড অনে দৌড়ে এসে একজন ফিল্ডার বল ছুঁড়ে মারেন। যেটা গিয়ে সরাসরি আঘাত করে শহিদির প্যাডে। সঙ্গে সঙ্গেই প্রচণ্ড ব্যাথায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।
বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকলো। ডাক্তার-ফিজিও এসে চেষ্টা করলেন তাকে সুস্থ করার; কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্যাড খুলে নিয়ে মাঠের বাইরে চলে যান শহিদি। এ সময় তিনি ব্যাট করছিলেন ২০ রান নিয়ে।
আইএইচএস/
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
