রত্না বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। পুজো মণ্ডপ থেকে বেরোনোর পথ অন্ধকার ছিল। তার উপরে বৃষ্টি আর অতিরিক্ত ভিড় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। পুজো উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি পুলিশেরও গাফিলতি ছিল।’ দুর্ঘটনার কারণ প্রসঙ্গে রত্না বলেন, ‘মণ্ডপের কোনও অংশ ভেঙে পড়ার আগেই, তা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল বলে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি। সেই আতঙ্কে দর্শনার্থীরা এ দিক-ও দিক ছোটাছুটি শুরু করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ভিড়ের চাপে অনেকে একে অপরের উপর পড়ে যান। পরে তাঁদের টেনে টেনে উদ্ধার করা হয়।’
কল্পনার পরিবারের সদস্য দেবেন্দ্র জানা জানান, তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর থানা এলাকার বাসিন্দা। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁরা খবর পান। কল্পনা, তাঁর ভাইপো এবং তাঁদের বন্ধুদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলেন।
দেবেন্দ্রর অভিযোগ, ‘প্যান্ডেলের কোনও অংশ ভেঙে পড়ে গিয়ে থাকলে তার পিছনে গাফিলতি থাকতে পারে। প্যান্ডেল ঠিক মতো তৈরি না হলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।’ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের গতিপ্রকৃতির দিকেই তাকিয়ে মৃতদের পরিবার।
