পুজো মানেই দেদার খাওয়া দাওয়া। আর অষ্টমীর রাতে ফুচকা খেয়েই অসুস্থ পঞ্চাশের বেশি। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট ব্লকের সাগড়বাড় এলাকায়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ১০ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ২ ফুচকা বিক্রেতাকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, অষ্টমীর রাতে সাগরবাড় এলাকায় একটি পুজো মণ্ডপের পাশে ফুচকা বিক্রি করছিলেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। তাঁর দোকান থেকে ফুচকা খাওয়ার পর একের পর এক অসুস্থ হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। গ্রামের বাসিন্দা সাদেক আলি বলেন, “ফুচকা খেয়ে স্থানীয় সাগরবাড়, চাঁদপুর, রেণুবাড়, পদুমপুর এলাকার একাধিক মানুষ অসুস্থ হন। বেশকয়েকজন গ্রামীন চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসার পাশাপাশি বাড়িতেও একাধিক মানুষের চিকিৎসা হয়। তবে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একটি শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।”
প্রাথমিক অনুমান ফুচকায় বিষক্রিয়ার ফলেই এই বিপত্তি। খবর পেয়ে পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হসপিটালে অসুস্থদের দেখতে যান জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা, কোলাঘাটের বিডিও অমিত কুমার চাঁদ। এই ঘটনার পর ফুচকার গুণমান যাচাই, খাদ্যের বিষক্রিয়ার সঠিক কারণ কী তা তদন্ত করার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় দুই ফুচকা বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসাবাদে জন্য আটক করেছে কোলাঘাট থানার পুলিশ।
