Published on
:
2 min read
এই সময়: আইএসএল অভিযান শুরু করার আগে ইস্টবেঙ্গলকেই হাতিয়ার করছে মোহনবাগান! ব্যাপারটা শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই সত্যি।
আসলে শিল্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে পানোসের টিমের। আজ সোমবার রাতে গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ নর্থইস্ট ইউনাইটেড। আলাদিন আজ়েরাইদের নর্থইস্টের সঙ্গে চলতি মরশুমে দু’বার মুখোমুখি হলেও তাদের সরাসরি হারাতে পারেননি মোহনবাগান কোচ পানোস।
ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনালে শিলংয়ের মাঠে নর্থইস্টের সঙ্গে ৯০ মিনিটের ম্যাচ গোলশূন্য ছিল। টাইব্রেকারে জিতেছিল সবুজ মেরুন ব্রিগেড। আবার শিল্ডের গ্রুপ লিগের ম্যাচেও নর্থইস্টের বিরুদ্ধে জিততে পারেনি মোহনবাগান। শেষ হয়েছিল ১–১ গোলে। সেখানে আন্তনিও আবাসের ইস্টবেঙ্গল কিন্তু শিল্ড সেমিফাইনালে নর্থইস্টকে ৭–২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল। যে টিমের ডিফেন্স ভাঙতে নাজেহাল হতে হয়েছে লিস্টন কোলাসোদের, সেই টিমের ডিফেন্সকে টলিয়ে ইস্টবেঙ্গলের ডেভিড কী করে হ্যাটট্রিক করেছিলেন, তা নিয়েই চর্চা চলেছে মোহনবাগান শিবিরে। নর্থইস্টের স্প্যানিশ কোচ খুয়ান পেদ্রো বেনালি শিল্ড ইস্টবেঙ্গলের কাছে ৭ গোল হজম করার পরে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছেন। তিনি ডিফেন্সে নতুন বিদেশি নেওয়ার জন্য মরিয়াও হয়ে উঠেছেন।
এই ম্যাচে মোহনবাগানের বড় সমস্যা ম্যাকলারেনের না খেলা। কুচকির চোট সারিয়ে তিনি প্র্যাক্টিসে নামলেও টিমের সঙ্গে গুয়াহাটি যাননি। তাঁর জায়গায় স্কটিশ লি এরউইন খেললেও অ্যাটাকে তিনি একা পড়ে যাচ্ছেন। ফলে গোল আসছে না। এর সঙ্গে আবার দেজ়ান দ্রাজি়চের মাথার চোট। তাঁরও শুরু থেকে খেলার সম্ভাবনা কম। তাঁর বদলে শুরু করতে পারেন মিগুয়েল। তিনি এখন নিজের সেরা ফর্মে নেই। তবে ভরসার জায়গা মনবীর সিং ভালো ফর্মে। নর্থইস্টের বিরুদ্ধে গোল করার জন্য তিনিই বড় ভরসা।
মোহনবাগান কোচ পানোস অবশ্য শিল্ড জয়ের পরে এতটাই আত্মবিশ্বাসী যে পরিষ্কারই বলে দিয়েছেন, তাঁর টিমে কে আছে, কে নেই, তা নিয়ে তিনি ভাবছেন না। টিমের সবাইকেই খেলিয়ে দেখে নিয়েছেন ডুরান্ড, লিগ ও শিল্ডে। ফলে তাঁর হাতে অপশন তৈরি আছে। তিনি বলেছেন, ‘আমার টিম দুটো ফর্মেশনে খেলতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। ৩–৪–৩ অথবা ৪–২–৩–১ সিস্টেমে খেলতে পারে পরিস্থিতি অনুযায়ী।’
গোল করার পাশাপাশি গোল বাঁচানোটাই বড় চ্যালেঞ্জ পানোসের। মরক্কোর স্টাইকার আলাদিন খুব ভালো ফর্মে। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার এথিয়ান গঞ্জালেস। আছেন জিতিন, পার্থিব, আমন, রিদিম, ম্যাকার্টনের মতো দ্রুত গতির ফুটবলারও। যাঁদের থামাতে বাগানের বড় অস্ত্র ফর্মে থাকা আলবার্তো রদ্রিগেস।