সূর্যবংশীর ‘বৈভবে’ মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তার পরিণতবোধে মুগ্ধ করেছে সবাইকে। এবার বিমানবন্দরে তাকে ঘিরে ক্যামেরার ভিড়। ছবি তুলতে আপত্তি নেই তার। কিন্তু নিজের নিরাপত্তার কথা যেন ভুলে না যান চিত্রগ্রাহকেরা! পাপারাজ্জিদের সতর্ক করল ভারতের বিস্ময় প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশী।
বয়স মাত্র ১৫। এইটুকু বয়সেই ক্রিকেট দুনিয়ায় শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এই বাঁহাতি তারকার ব্যাটে আইপিএলে ঝড় উঠেছে। দেশের জার্সি গায়েও দ্যুতি ছড়িয়েছে সে। তার বয়স যখন ১৩, রাজস্থান রয়্যালস ১.১ কোটি টাকায় কিনে হইচই ফেলে দিয়েছিল। তারপর বাকিটা ইতিহাস। মাঠের বাইরেও তাকে নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে। বিমানবন্দরে পা রাখতেই ক্যামেরা হাতে ছুটে আসেন একদল পাপারাজ্জি। কাউকে নিরাশ করেনি বৈভব। তাঁদের আবদার মেটাতে ছবিও তোলে তাঁদের সঙ্গে। তবে ছবি ও রিল তুলতে গিয়ে যেন বিপদ ডেকে না আনেন চিত্রগ্রাহকেরা, সেই বার্তাও দিল সে।
বৈভব তাঁদের সতর্ক করে বলেন, ‘রিল কে চক্কর মে ঠুক জাওগে!’ অর্থাৎ, রিল তৈরির নেশায় গাড়ির ধাক্কা খেতে পারেন! তার এই মন্তব্য নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে চর্চা। তারকার ছবি তুলতে গিয়ে চারপাশে কী ঘটছে, তা ভুলে যাওয়া উচিত নয়। সহজ ভাবে বৈভব সেই কথাটাই বুঝিয়ে দিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেটে আবির্ভাবের পর থেকেই প্রবল জনপ্রিয় বৈভব। যেখানেই যাচ্ছে, তাকে নিয়ে অনুরাগীদের ভিড়। বিমানবন্দরের ভিডিওটি তার সাম্প্রতিকতম সংস্করণ। তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেও মাটিতে পা তার। নিরাপত্তার বিষয়টিও যে গুরুত্বপূর্ণ, তা মনে করিয়ে দিতে ভোলেনি কিশোর ক্রিকেটার।
VAIBHAV SURYAVANSHI GETS ANGRY ON PAPS
Vaibhav
: “Reels ke chakkar mein thok jaaoge tum!”
https://t.co/Gj8wcKqO7Z
— Sam (@cricsam02) October 15, 2026
এদিকে, বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লির মেজর ধ্যানচাঁদ জাতীয় স্টেডিয়ামে এশিয়াডের পদকজয়ীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে উপস্থিত ছিল বৈভবও। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই তরুণ ক্রিকেটারের সাক্ষাৎ নিয়ে সকলের আগ্রহ তুঙ্গে ছিল। পদকজয়ী অ্যাথলিটদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহও দেন মোদি। তিনি বলেন, “যখনই সুযোগ পাবে, নিজের গ্রাম বা শহরের শিশুদের সঙ্গে দেখা করবে। বিভিন্ন স্কুলে যাবে। যে মাঠে খেলা শুরু করেছিলে, সেখানেও যাবে। তোমাদের অভিজ্ঞতা ওই শিশুদের কাজে লাগতে পারে। তোমাদের সঙ্গে সামান্য কথাবার্তাও কোনও শিশুকে খেলাধুলায় এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দিতে পারে।” প্রধানমন্ত্রীর সংযোজন, “খেলাধুলা আমাদের শৃঙ্খলা শেখায়। জীবনে পড়ে যাওয়ার পর আবার উঠে দাঁড়ানো, হারের পর জেতার শিক্ষা আমরা খেলার মাঠ থেকেই পাই।” প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে তাঁর পরিচিত স্লোগানও, “জো খেলেগা, ওহ খিলেগা।” অর্থাৎ, যে খেলবে, সেই বিকশিত হবে। তবে এত সবের মধ্যেও ভাইরাল বৈভব সূর্যবংশী।

Vaibhav
: “Reels ke chakkar mein thok jaaoge tum!” 
https://t.co/Gj8wcKqO7Z