
ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী
সরকারি সফরে আজ সকালে সাগরকন্যা কুয়াকাটায় এসেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সকাল ১০টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি বরিশাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন এবং সেখান থেকে সড়কপথে কুয়াকাটায় পৌঁছান।
সফরের শুরুতেই তিনি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করেন এবং পর্যটকদের সাথে কথা বলেন। পরে কুয়াকাটা পৌরসভা মিলনায়তনে পর্যটন সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার, হোটেল-মোটেল মালিক, ট্যুর অপারেটর এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।
সভায় মন্ত্রী বলেন —
“প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে পর্যটনকে আমরা আর শুধু বিনোদন হিসেবে দেখছি না, এটাকে আমরা অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কুয়াকাটা হবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের প্রথম স্মার্ট ট্যুরিজম জোন।”আজকের সফরে উল্লেখযোগ্য বিষয়:
১. বিমানবন্দর প্রসঙ্গ: তিনি জানান, কুয়াকাটার কাছাকাছি পটুয়াখালী বিমানবন্দরটি দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি চালু হলে ঢাকা থেকে ৪৫ মিনিটে কুয়াকাটা পৌঁছানো যাবে।
২. পরিচ্ছন্ন সৈকত কর্মসূচি:পর্যটকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি সৈকতে পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা জোরদার করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেন।
৩. বিনিয়োগ আহ্বান: সভায় তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কুয়াকাটায় ফাইভ স্টার হোটেল ও ইকো-রিসোর্ট নির্মাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সরকার এর জন্য জমি ও নীতিগত সহায়তা দেবে বলে আশ্বস্ত করেন।
দুপুরে তিনি রাখাইন পল্লী পরিদর্শন এবং বিকেলে সূর্যাস্ত পয়েন্টে স্থানীয় জেলেদের সাথে কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান এবং বিমান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই সফরে তার সাথে ছিলেন।
