ইমপ্লয়িজ পেনশন স্কিমের অধীনে পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর! অবশেষে ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধি নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপের পথে ইপিএফও। ১৯ নভেম্বর গুজরাটের গিরে EPFO-র সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের ২৪০তম বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব আলোচনায় আসতে পারে বলে দাবি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের।
শোনা যাচ্ছে, ন্যূনতম পেনশনের অঙ্কটা একধাক্কায় সাড়ে সাত গুণ বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। চলতি বছরের শুরুতেই ইপিএফও পরিচালিত কর্মচারী পেনশন স্কিমের অধীনে ন্যূনতম মাসিক পেনশন বাড়িয়ে ৭,৫০০ টাকা করার সুপারিশ করেছে শ্রম সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি। এই মুহূর্তে ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ মাত্র ১ হাজার টাকা। সংসদীয় কমিটির মতে মৌলিক চাহিদা মেটাতে ১,০০০ টাকা পর্যাপ্ত নয়।
দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ন্যূনতম পেনশন নিয়ে। যা প্রতি মাসে মাত্র ১ হাজার টাকা। শ্রম, বস্ত্র ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ‘অনুদান দাবি (২০২৬-২৭)’ শীর্ষক ১৫তম প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সত্ত্বেও কর্মচারী পেনশন প্রকল্প, ১৯৯৫-এর অধীনে প্রতি মাসে ন্যূনতম ১,০০০ টাকা পেনশন দীর্ঘ সময় ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। যা বাড়িয়ে ৯ হাজার টাকা করার দাবি উঠেছিল। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে ন্যূনতম পেনশন ৭, ৫০০ টাকা করা হতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল এবারের বাজেটে। কিন্তু বাজেটে সেই নিয়ে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। বরং মাসিক পেনশন হাজার টাকা রাখার মতোই বাজেট বরাদ্দ হয়েছে।
তবে এবার এ নিয়ে সদর্থক আলোচনা হতে পারে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের ২৪০তম বৈঠকে পেনশন বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে। সাড়ে সাত হাজার টাকা না হলেও ন্যূনতম পেনশন কতটা বাড়ানো যায়, সেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
