ফ্রান্সে মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় ১ হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লরেন্ট নুনেজ বলেন, ‘১,৮০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এসব অপকর্মের পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে বর্তমানে তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে।’
প্যারিস, মার্সেই, লিওঁ, বোর্দোসহ ফ্রান্সের বিভিন্ন প্রধান শহরে এই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন-ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে আয়োজিত গণবিক্ষোভের অংশ হিসেবে এসব ঘটনা ঘটে। এর আগে ফ্রান্সের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণিকক্ষের নাজুক পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা টানা চার সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ করে আসছিলেন। তাঁদের কয়েকটি বিক্ষোভও আগে সহিংস রূপ নিয়েছিল।
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, কয়েকটি সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর এবং দোকানে ব্যাপক লুটপাটের জন্য কয়েক হাজার উগ্র বামপন্থিকে দায়ী করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। তিনি বলেন, ‘সম্পদের যে ক্ষতি হয়েছে তা বেশ মারাত্মক, বিশেষ করে কয়েকশ দোকান মালিকের জন্য এটি অত্যন্ত ক্ষতি ডেকে এনেছে।’
নুনেজ জানান, বিক্ষোভের সময় প্রায় ৫০০ পুলিশ সদস্য, দমকলকর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মী আহত হয়েছেন। তবে আহতের এই সংখ্যা পরে পরিবর্তিত হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, যারা দেশে বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা চাপিয়ে দিতে চায়, তাদের কাছে ফ্রান্স কখনো নতি স্বীকার করবে না।
এমএ
